কেন অকেজো রেললাইন নিলামে বিক্রি করা হয় না, সংসদে জানালেন মন্ত্রী

ভোরের ডাক ডেস্ক

জাতীয়

বাংলাদেশ রেলওয়ের পুরোনো ও অকেজো রেললাইন কেন নিলামে বিক্রি করা হয় না, সে বিষয়ে জাতীয় সংসদে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন

2026-06-15T18:51:52+00:00
2026-06-15T18:51:52+00:00
  সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬,
১ আষাঢ় ১৪৩৩
 
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
জাতীয়
কেন অকেজো রেললাইন নিলামে বিক্রি করা হয় না, সংসদে জানালেন মন্ত্রী
ভোরের ডাক ডেস্ক
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৬:৫১ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ রেলওয়ের পুরোনো ও অকেজো রেললাইন কেন নিলামে বিক্রি করা হয় না, সে বিষয়ে জাতীয় সংসদে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। একই সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

সোমবার (১৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের সপ্তম দিনে সংসদ সদস্যদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনিরের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন রুটে বর্তমানে ট্র্যাক রিনিউয়াল বা রেললাইন প্রতিস্থাপনের কাজ চলছে। এ সময় ব্যবহারযোগ্য রেলগুলো সংশ্লিষ্ট প্রকল্প এলাকায় সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করা হয় এবং পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় ব্যবহার করা হয়।

তিনি জানান, রেললাইন পরিবর্তনের সময় পুরোনো বা অকেজো রেলগুলো অনেক সময় অগোছালোভাবে পড়ে থাকতে দেখা গেলেও কাজ শেষে সেগুলো নির্ধারিত নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করা হয়।

অকেজো রেল নিলামে বিক্রি না করার কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, এসব রেল পরবর্তীতে রেলওয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষার কাজে ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে রেলপথ সংলগ্ন বাঁধ সুরক্ষা (এমব্যাঙ্কমেন্ট প্রটেকশন) এবং বিভিন্ন অবৈধ লেভেল ক্রসিংয়ে রেলফেন্সিং বা সুরক্ষা বেড়া নির্মাণে এগুলোর ব্যবহার রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এর ফলে একদিকে রেলওয়ের নিরাপত্তা জোরদার হচ্ছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব হচ্ছে। যেহেতু এসব রেল রেলওয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা ও সুরক্ষামূলক কাজে পুনর্ব্যবহার করা হয়, তাই সেগুলো উন্মুক্ত নিলামে বিক্রির সুযোগ নেই।

এদিকে সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। জেলা, আঞ্চলিক ও জাতীয় মহাসড়কের যেসব স্থানে বারবার দুর্ঘটনা ঘটে, সেসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সেখানে সাইন-সিগন্যাল স্থাপন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় স্পিডব্রেকার, জেব্রা ক্রসিং এবং রাম্বল স্ট্রিপ স্থাপনের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক প্রচারণা পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ‘বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যার মূল লক্ষ্য সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ও গুরুতর আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা।

মন্ত্রী আরও জানান, চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বাড়াতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মাধ্যমে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে পেশাদার চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের আগে বাধ্যতামূলকভাবে সচেতনতা ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং অদক্ষ চালকদের কারণে মহাসড়কে যে প্রাণহানি ঘটে, তা কমাতে এ প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: