ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে নিজ জেলা ভোলায় নিয়ে আসা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের মরদেহ। মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর ১টা ৩৮ মিনিটের দিকে ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে তাকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি অবতরণ করে। পরে তার মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে তার নিজ গ্রামে ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়।
তার মরদেহের সঙ্গে ছিলেন একমাত্র মেয়ে তাছলিমা আহমেদ জামান মুন্নি ও মেয়ের জামাই ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন। পারিবারিক সূত্রে জান গেছে, বাদ জোহর দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এ সময় তোফায়েল আহমেদকে বহনকারী হেলিকপ্টার ঘিরে দলীয় নেতাকর্মী, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা হেলিপ্যাডে ভিড় জমান। তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুকে ঘিরে ভোলার বিভিন্ন স্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে।
এর আগে সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর তোফায়েল আহমেদ হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি আইসিইউ সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. রায়হান রাব্বানীর নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসকদের দীর্ঘদিনের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।