মহীয়সীর ‘মহাপ্রয়াণ’

নাজিউর রহমান সোহেল

জাতীয়

বাংলাদেশের চার দশকের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অদম্য ‘ফিনিক্স পাখি’ বেগম খালেদা জিয়া। একজন নিভৃতচারী গৃহবধূ থেকে গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরীতে রূপান্তরের

2025-12-31T20:21:01+00:00
2025-12-31T20:21:01+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬,
২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
  ই-পেপার   
           
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
জাতীয়
গৃহবধূ থেকে জাতির অভিভাবক: এক মহাকাব্যিক যাত্রার অবসান
মহীয়সীর ‘মহাপ্রয়াণ’
নাজিউর রহমান সোহেল
প্রকাশ: বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:২১ পিএম 
বাংলাদেশের চার দশকের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অদম্য ‘ফিনিক্স পাখি’ বেগম খালেদা জিয়া। একজন নিভৃতচারী গৃহবধূ থেকে গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরীতে রূপান্তরের এই মহাকাব্যিক যাত্রা ছিল অগ্নিপরীক্ষায় ঠাসা। ১৯৮১ সালে স্বামী হারানোর শোককে শক্তিতে বদলে দিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে বিএনপিকে পুনর্গঠন এবং দীর্ঘ নয় বছর রাজপথে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে। দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব যেমন তাঁর ললাটে, তেমনি পরাজয়হীন জনম্যান্ডেটের অনন্য রেকর্ডও ছিল তাঁরই দখলে। সেনাসমর্থিত সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে দেশ না ছাড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার থেকে শুরু করে দীর্ঘ কারাবাস ও প্রিয়জন হারানোর গভীর ক্ষতÑ প্রতিটি আঘাতেই তিনি থেকেছেন অটল, অবিচল। ক্ষমতা আর কারান্তরালের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে প্রতিহিংসার বদলে শান্তি ও দেশপ্রেমের অনন্য এক দর্শন রেখে অবশেষে মহাপ্রয়াণের মাধ্যমে তিনি পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে, অবসান ঘটেছে দেশের রাজনীতির এক অবিস্মরণীয় ও বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের।

গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তাঁর মৃত্যুর সময় পাশে ছিলেন জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, পুত্রবধু ডা. জোবায়দা রহমান ও নাতনি জাইমা রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা। কিডনি, হৃদরোগ এবং নতুন করে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৩ নভেম্বর থেকে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। 

গত সোমবার গভীর রাতে খালেদা জিয়ার অবস্থার অবনতি হলে পুত্র তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে ছুটে যান। গভীর রাত ২টায় মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন তাঁর অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটময়’ জানিয়ে দেশবাসীর কাছে দোয়া চান। পরে গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টায় মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদার কান্নাভেজা কণ্ঠে প্রিয় নেত্রীকে ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ ঘোষণা করেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়; চিকিৎসক, নার্স ও উপস্থিত হাজারো নেতাকর্মী কান্নায় ভেঙে পড়েন। মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সারাদেশে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং প্রিয় নেত্রীকে শেষবারের মতো দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে অগণিত সমর্থক ও মানুষ ভিড় জমান।
রাষ্ট্রীয় শোক

এদিকে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন। এছাড়া আজ বুধবার খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষ্যে সরকার এক নির্বাহী আদেশে একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এদিন দেশের সকল সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আজ দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর রাজধানীর জিয়া উদ্যানে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রায়ত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে তাকে সামহিত করা হবে।
দেশ-বিদেশে শোক

এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। শুধু দেশের গন্ডিতেই নয়, বিদেশের বিভিন্ন সরকার প্রধান ও কুটনৈতিকরাও শোক প্রকাশ করছেন। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে বলে উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। এ ছাড়া চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। তাঁরা বাংলাদেশের রাজনীতি ও উন্নয়নে খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করেন। একইসাথে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাস এই রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এদিকে বিএনপিও তাদের প্রিয় নেত্রীর বিদায়ে সাতদিনের শোক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, যার আওতায় সারাদেশে দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন ও নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করবেন।

গৃহবধূ থেকে রাজনীতির ‘কান্ডারি’
১৯৪৬ সালে জলপাইগুড়িতে জন্ম নেওয়া খালেদা জিয়া দীর্ঘ সময় ছিলেন প্রচারবিমুখ এক গৃহবধূ। কিন্তু ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর দেশ ও দল যখন গভীর সংকটে, তখন সাধারণ কর্মীদের দাবির মুখে তিনি ঘর ছেড়ে বের হয়ে আসেন। ১৯৮২ সালে বিএনপির সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ দেন। মাত্র দুই বছরের মাথায় বেগম জিয়া ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে দলের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। তৎকালীন সামরিক জান্তার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখাই ছিল তাঁর জীবনের প্রথম বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান। 

‘আপসহীন’ খেতাব
আশির দশকে জেনারেল এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে তাঁর অকুতোভয় নেতৃত্ব আজও ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা। সাতদলীয় জোট গঠন করে রাজপথে একটানা আন্দোলন চালিয়ে গেছেন তিনি। খালেদা জিয়া ১৯৮৬ সালের কারচুপির নির্বাচনের বিরোধিতা করেন এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। যদিও আওয়ামী লীগ, জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মতো রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা এরশাদের অবৈধ সরকারকে বৈধতা দেওয়ার জন্য জাতীয় পার্টির নেতৃত্বাধীন শাসনের অধীনে নির্বাচনে যোগ দিয়েছিল। খালেদা জিয়ার দৃঢ় সংকল্পের কারণে তাকে ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাতবার আটক করলেও মাথা নত করেননি। ১৯৯০-এর গণ-অভ্যুত্থানে তাঁর অনড় অবস্থানের কারণেই পতন ঘটেছিল একনায়কতন্ত্রের, আর তিনি পেয়েছিলেন ‘আপসহীন নেত্রী’র চিরস্থায়ী পরিচিতি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, স্বৈরশাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনই খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের শক্ত ভিত্তি গড়ে দেয়, যা তাঁকে রাজনীতিতে সুদৃঢ় অবস্থানে নিয়ে আসে। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা শেষে জীবনের সায়াহ্নে তিনি দল-মতনির্বিশেষে সবার কাছে এক অনন্য সম্মান ও ‘জাতীয় ঐক্যের প্রতীকে’ পরিণত হন।

নারী শিক্ষায় ‘বৈপ্লবিক রূপকার’
১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে তিনি এক নতুন যুগের সূচনা করেন। খালেদা জিয়া বাংলাদেশের নারী শিক্ষায় বৈপ্লবিক পরিবর্তনের পথিকৃৎ। তিনি দশম শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের ‘অবৈতনিক শিক্ষা’ এবং ছাত্রী উপবৃত্তি চালু করেন। যা দক্ষিণ এশিয়ায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল। তাঁর আমলে ‘শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য’ কর্মসূচি ও প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার ফলে নারী সাক্ষরতার হার দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তার সরকার সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ২৭ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩০ বছর করে এবং শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করে। এই অবদানের জন্য ২০০৫ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিন তাঁকে বিশ্বের ২৯তম ক্ষমতাধর নারী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। আর গঙ্গার পানি বণ্টন ও রোহিঙ্গা শরণার্থী ইস্যুতে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাহসিকতার সাথে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করেন। এছাড়া নির্বাচনী লড়াইয়েও তিনি ছিলেন অজেয়; দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ২৩টি আসনে নির্বাচন করে সব কটিতেই জয়লাভের বিরল নজির গড়েছেন তিনি।

ষড়যন্ত্র, কারাগার ও অটল দেশপ্রেম
২০০৬ সালে খালেদা জিয়া একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের ওপর বড় ঝড় আসে ২০০৭ সালের এক-এগারোর সময়। সে সময় সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার জরুরি অবস্থা জারি করে। খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমান, ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে গ্রেফতার করা হয়। সে সময় বিএনপিকে ভাঙার, খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার নানা চেষ্টা করা হয়। তখন ১/১১ পরবর্তী সেনা-সমর্থিত সরকার তাঁকে দেশত্যাগে বাধ্য করতে চাইলেও তিনি দৃঢ়কণ্ঠে বলেছিলেন, “বিদেশে আমার কোনো ঠিকানা নেই।” পরবর্তীতে শেখ হাসিনার শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ২০১৮ সাল থেকে তাঁকে দীর্ঘ সময় কারাবরণ ও গৃহবন্দি থাকতে হয়েছে। কারাগারে থাকা অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার অভাব এবং পরবর্তী সময়ে অসুস্থতার ধকল সত্ত্বেও তিনি কখনো নিজ আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। ২০১৫ সালে গুলশান কার্যালয়ে অবরুদ্ধ থাকাকালে ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিগত শোক। যা তিনি অসীম ধৈর্যের সাথে মোকাবিলা করেছেন। 

ক্ষমা ও শান্তির রাজনীতি
জীবনের সায়াহ্নে এসে বেগম জিয়া বারবার গুরুত্ব দিয়েছেন জাতীয় ঐক্যের ওপর। ২০২৪ সাল অর্থ্যাৎ গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর মুক্তি পেয়ে তাঁর সংক্ষিপ্ত ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছিলেন, “ধ্বংস নয়, প্রতিশোধ নয়, প্রতিহিংসা নয়; ভালোবাসা, শান্তি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলি।” এই উদার আহ্বান তাঁকে সংকীর্ণ রাজনীতির ঊর্ধ্বে এক ‘জাতীয় অভিভাবকের’ আসনে বসিয়েছে। তখন থেকে দেশের কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা ও আবেগ আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে।

একটি যুগের শেষ
অবশেষে বার্ধক্য আর দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার কাছে হার মেনে তিনি পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে। তাঁর মৃত্যুতে কেবল একটি রাজনৈতিক দলের অভিভাবক হারায়নি। বরং বাংলাদেশ হারিয়েছে গণতন্ত্রের এক অতন্দ্র প্রহরীকে। কোটি কোটি মানুষের প্রিয় দেশনত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে আজ বুধবার শোকার্ত মানুষের ঢল নামবে গোটা রাজধানীজুড়ে। বেগম খালেদা জিয়া কেবল একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না; তিনি ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের এক জীবন্ত প্রতীক। তাঁর প্রতিটি সংগ্রাম এবং ত্যাগ আগামীর রাজনীতির জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ##


Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : bhorerdakonline@gmail.com, adbhorerdak@gmail.com
ফলো করুন: