খালেদা জিয়ার প্রতি বিরল ভালোবাসা, বিস্ময়ে দেখলো পুরো বিশ্ব

সুজন দে

জাতীয়

অগণিত মানুষের চোখের জল, শ্রদ্ধা আর বিরল ভালোবাসায় চিরবিদায় নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন, তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী ও দেশের মানুষের অভিভাবক

2025-12-31T17:59:01+00:00
2025-12-31T19:46:29+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬,
২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
  ই-পেপার   
           
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
জাতীয়
খালেদা জিয়ার প্রতি বিরল ভালোবাসা, বিস্ময়ে দেখলো পুরো বিশ্ব
সুজন দে
প্রকাশ: বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:৫৯ পিএম  আপডেট: ৩১.১২.২০২৫ ৭:৪৬ পিএম

অগণিত মানুষের চোখের জল, শ্রদ্ধা আর বিরল ভালোবাসায় চিরবিদায় নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন, তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী ও দেশের মানুষের অভিভাবক প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া।  

আজ পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বামী শহীদ  রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে শায়িত হন বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের অতন্ত্র প্রহরী খ্যাত আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এরআগে বুধবার বেলা ৩টা ২ মিনিটে জাতীয় সংসদের সামনে জনসমুদ্রের মধ্যে তার জানাজা সম্পন্ন হয়। জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ এবং পুরো মানিক মিয়া অ্যাভেনিউ ছাড়িয়ে আশপাশের কয়েক কিলোমিটারের সব সড়ক, অলিগলিতে অবস্থান নিয়ে অজস্র মানুষ জানাজায় অংশ  নেন।  


জানাজায় অংশ নিতে আসা মানুষের ঢলে জাতীয় সংসদ ভবনের তিনটি মাঠ, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ সড়কের একদিকে ফার্মগেইট হয়ে কাওরানবাজার ও বাংলামটর, অপরদিকে  বিজয় স্মরনী হয়ে  জাহাঙ্গির গেইট- মহাখালী  লোকে লোকারণ্য হয়ে উঠে। এছাড়া মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে  ঢল ছড়িয়ে পড়ে গাবতলী পযর্ন্ত , বিপরীতে মানুষের ঢল গিয়ে ঠেকে সায়েন্সল্যাব মোড় পযর্ন্ত।  আর বিজয়  স্মরনী হয়ে  আগারগাঁও  ছাড়িয়ে মিরপুর রোড়ে অবস্থান নিয়ে জানাযায় অংশ নেন লাখ লাখ মানুষ। সব মিলিয়ে  প্রয়াত বেগম খালোদা জিয়ার  নামাজে  জানাযায় অংশ নেন কয়েক মিলিয়ন মানুষ। বিভিন্ন প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত করে ধারণা করা হচ্ছে, এই সংখ্যা প্রায়  অর্ধকোটির বেশি।


মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, ‘আপসহীন নেত্রী’ খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুতে দেশে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক চলছে, বুধবার ঘোষণা করা হয়েছে সাধারণ ছুটি। গতকাল সকালে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে খালেদা জিয়ার কফিন নেওয়া হয় গুলশানে তার ছেলে তারেক রহমানের বাড়িতে। পরে জাতীয় পতাকা শোভিত লাশবাহী গাড়ি বুধবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে সংসদ ভবনের সামনে পৌঁছায়। গাড়িবহরে একটি বাসে করে সেখানে পৌঁছান খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা।

 
পৃথিবীর ইতিহাসে হাতে গোনা যে কয়জন রাষ্ট্রনায়ক বিদায় বেলায়  তার নিজের দেশের  কোটি কোটি মানুষের  ভালোবসায় সিক্ত হয়েছেন, তার মধ্যে অন্যতম বেগম খালেদা জিয়া।  গতকাল তার বিদায় বেলায়,জানাযার মূল স্থল  জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ এবং পুরো মানিক মিয়া অ্যাভেনিউর আশপাশের কয়েক কিলোমিটারের  সব সড়ক ছাড়িয়ে রাজধানী ঢাকার অধিকাংশ প্রধান এবং সংযোগ সড়কে ঢল নামে  মানুষের। তারা চোখের জলে চিরবিদায় জানান প্রিয় নেত্রীকে। যা দেশী ও আর্ন্তজাতিক গণমাধ্যমের কল্যানে অবাক বিস্ময়ে দেখে পুরো বিশ্ব। 


খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাবিক, ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডি এন ধুঙ্গেল, মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির উচ্চ শিক্ষা, শ্রম ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী আলি হায়দার আহমেদ, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিজিতা হেরাথ।

এ ছাড়া জানাজা ও শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে অংশ নেন ঢাকায় নিযুক্ত লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালিব এস এম সোলায়মান, অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রিলে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত মেগান বোল্ডিন, রাশিয়ার  ভারপ্রাপ্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত একেতেরিনা সেমনোভা, সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার মিশেল লি, ফিলিস্তিনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জিয়াদ এম হামাদ, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, দক্ষিণ কোরিয়া ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জিনহি ব্যাক, বৃটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, চীনের রাষ্ট্রদূত  ইয়াও ওয়েন, কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং, ইরানের রাষ্ট্রদূত মানসুর চাভেশি প্রমুখ।

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা পড়ান বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব আবদুল মালেক। আর সঞ্চালনা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।এর আগে পরিবারের তরফে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান প্রয়াতের জন্য সবার কাছে দোয়া চান। তিনি বলেন, আমি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বড় সন্তান তারেক রহমান। আমি আজকে এখানে উপস্থিত সকল ভাইয়েরা এবং বোনেরা-যারা উপস্থিত আছেন, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া জীবিত থাকাকালীন অবস্থায় যদি আপনাদের কারো কাছ থেকে কোনো ঋণ নিয়ে থাকেন, দয়া করে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন। আমি সেটি পরিশোধের ব্যবস্থা করবো ইনশাআল্লাহ। একই সাথে উনি জীবিত থাকাকালীন অবস্থায় উনার কোনো ব্যবহারে, উনার কোনো কথায় যদি কেউ আঘাত পেয়ে থাকেন, তাহলে মরহুমার পক্ষ থেকে আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থী। দোয়া করবেন। আল্লাহ তাআলা যাতে উনাকে বেহেশত দান করেন।

জানাজায়  অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী,  সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, আদিলুর রহমান, ফাওজুল কবির খান, আ ফ ম খালিদ হোসেন, আলী ইমাম মজুমদার, সি আর আবরার, এম সাখাওয়াত হোসেন জানাযায় অংশ নেন।  এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান,  সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীপ্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ বদিউল আলম মজুমদার । এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক  দলের শীর্ষ নেতা, সরকারের উপদেষ্টা  পারিষদের সদস্য ,কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি, বিএনপির শীর্ষ নেতারাসহ সরকারের উর্দ্ধতন  কর্মকর্তারাও জানাযায় অংশ নেন।  

নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ‘আপসহীন নেত্রী’ অভিধা পাওয়া খালেদা জিয়া বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন ৪১ বছর। তিনি পাঁচবারের সংসদ সদস্য, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, আর বিরোধী দলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেছেন দুইবার। তার জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আশপাশের এলাকা কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুরো এলাকাকে কয়েকটি নিরাপত্তা জোনে ভাগ করা হয়। 

স্মরণকালের রেকর্ড মানুষের অংশগ্রহণ: আজ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়। এতে স্মরণকালের রেকর্ডসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বিএনপির নেতাদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ বিএনপির সর্বস্তরের নেতারকর্মীরা জানাজায় শরিক হোন। জানাজায় দেখা গেছে কবি ও তাত্ত্বিক ফরহাদ মজহারকে। এছাড়া  রাজনীতিকদের মধ্যে জামায়াত ইসলামীর মিয়া গোলাম পরওয়ার, শামীম সাঈদী, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মামুনুল হক উপস্থিত ছিলেন, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান এবং গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুরকে দেখা গেছে। ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের আহমাদুল্লাহও বিএনপি নেত্রীর জানাজায় অংশ নেন।

আজ দুপুর ২টায় জানাজা শুরুর কথা থাকলেও ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন। একপর্যায়ে মানুষের বিস্তৃতি আশপাশের এলাকা বিজয় সরণি, খামারবাড়ি মোড়, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, পান্থপথ, শেরেবাংলা নগর, কলেজগেট, আসাদগেট ও শাহবাগসহ অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ে। ভবনের ছাদ ও ওভার ব্রিজসহ যে যেখানে সুযোগ পেয়েছেন সেখানেই দাঁড়িয়ে পড়েছেন জানাজা। চাপ ঠেলে সময় মতো আসতে না পেরে অনেকে জানাজা পাননি। নিচে নামতে না পারায় বিজয় সরণি মেট্রোস্টেশনে জানাজার নামাজের জন্য দাড়িয়ে গেছেন অনেকে ।  দেশের আপসহীন এ নেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে উপস্থিত হন তারা। যতদূর চোখ যায়, শুধু মানুষ আর মানুষ। তার এ অনন্তকালের যাত্রায় শেষসঙ্গী হয়েছে  অর্ধকোটিরও   বেশি মানুষের ভালোবাসা।

মানুষের  জনস্রোতে স্পষ্ট খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের সমর্থন, ভালোবাসা। জানাজাস্থলে উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ আবেগে  ভেসেছেন, কেউ কেউ আবার ঢুকরে  কেঁদেছেন, কাউকে স্বান্তনা দেওয়ার ভাষা ছিলো না।  গণতন্ত্রের জন্য জীবনের শেষদিন পর্যন্ত লড়াই করেছেন তিনি। এজন্য তিনি জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন।  সেই কারণে সারাদেশ থেকে ছুটে  আসে মানুষ। বাংলাদেশের নেতা খালেদা জিয়াকে বিদায় জানাতে।

খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন কার্যক্রম ঘিরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল, জাতীয় সংসদ ভবন ও জিয়া উদ্যান এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। রাত থেকে এভারকেয়ার হাসপাতাল, সংসদ ভবন ও জিয়া উদ্যান এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়। এ ছাড়া পুরো এলাকার নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেন।

ঢাকার রাস্তা লোকে লোকারণ্য:
ভোরের ডাকের সিনিয়র রিপোর্টার নাজিউর রহমান সোহেল, সিনিয়র রিপোর্টার সাইদুল ইসলাম, সিনিয়র রিপোর্টার ইমরুল কাওসার ইমন, স্টাফ রিপোর্টার সোহাগ রাসিফ গতকাল সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে জানিয়েছেন,  সংসদ ভবন এলাকা ছাড়িয়ে জানাজার দীর্ঘ লাইন আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছায়। তারা আরও জানিয়েছেন, একদিকে সংসদ ভবন এলাকা থেকে রাজধানীর কারওয়ান বাজার পর্যন্ত সড়ক, আসাদ গেট হয়ে মোহাম্মদপুর টাউন হলের কাছাকাছি পর্যন্ত, আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন হয়ে রাজধানীর শিশুমেলার (শ্যামলী) কাছাকাছি পর্যন্ত, আর জানাজার লাইন গিয়ে পৌঁছায় জাহাঙ্গীর গেইট পর্যন্ত। এসব সড়কে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখ লাখ মানুষের জনস্রোতে নামে। তাদের মতে, এদিন খালেদা জিয়ার জানাযায় ছিল দেশের ইতিহাসে সর্ব বিহৎ স্বরণকালের জানাযা 

খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন কার্যক্রম ঘিরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল, জাতীয় সংসদ ভবন ও জিয়া উদ্যান এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। রাত থেকে এভারকেয়ার হাসপাতাল, সংসদ ভবন ও জিয়া উদ্যান এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়। এ ছাড়া পুরো এলাকার নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।
মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, ‘আপসহীন নেত্রী’ খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুতে দেশে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক চলছে, বুধবার ঘোষণা করা হয়েছে সাধারণ ছুটি। গতকাল সকালে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে খালেদা জিয়ার কফিন নেওয়া হয় গুলশানে তার ছেলে তারেক রহমানের বাড়িতে। পরে জাতীয় পতাকা শোভিত লাশবাহী গাড়ি বুধবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে সংসদ ভবনের সামনে পৌঁছায়। গাড়িবহরে একটি বাসে করে সেখানে পৌঁছান খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা।

মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, ‘আপসহীন নেত্রী’ খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুতে দেশে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক চলছে, বুধবার ঘোষণা করা হয়েছে সাধারণ ছুটি। 



Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : bhorerdakonline@gmail.com, adbhorerdak@gmail.com
ফলো করুন: