
রোববার (১ নভেম্বর) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, আব্দুল হাফিজের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতা, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং ওই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ রয়েছে অবসরপ্রাপ্ত এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
গ্রেপ্তারের পর তাঁকে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এতে তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান।
ওই ঘটনায় দায়ের করা হত্যা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় বিচারিক আদালত ১৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া আরও অন্তত ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
তবে দীর্ঘদিন ধরে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এবং তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তুলে আসছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের দাবিতে কর্মসূচিও পালন করা হয়েছে।