রাজধানীতে একদিকে উচ্ছেদ আরেকদিকে দখল

সাইদুল ইসলাম

রাজধানী

স্থায়ী সমাধান না আসা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখবে দুই সিটিরাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক দখল করে ব্যবসা বাণিজ্য চলছে বছরের পর

2026-10-29T11:30:49+00:00
2026-10-29T11:30:49+00:00
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
 
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানী
রাজধানীতে একদিকে উচ্ছেদ আরেকদিকে দখল
হকারদের সামাল দেয়াই দুষ্কর
সাইদুল ইসলাম
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩০ এএম 
প্রতীকী ছবি
 

স্থায়ী সমাধান না আসা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখবে দুই সিটি

রাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক দখল করে ব্যবসা বাণিজ্য চলছে বছরের পর বছর। শুধু তাই নয় অনেকে ফুটপাতে দিনের পর দিন বসবাসও করছে। ফলে তা দখলমুক্ত করা এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। নগরীর যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, পথচারীদের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করা এবং জনসাধারণের ব্যবহারের জায়গা দখলমুক্ত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ জোরদার করা হয়েছে। ফলে প্রতিদিনই চলছে উচ্ছেদ অভিযান। কিন্তু একদিনে উচ্ছেদ আরেক দিকে দখল করায় হকার ও অবৈধ দখলদারদের সামাল দেয়াই দুষ্কর হয়ে পড়ছে। তবুও থেমে নেই দুই সিটির প্রশাসকসহ এর সাথে জড়িতরা। তারা স্থায়ী সমাধান না আসা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। নিয়ম অমান্য করে ফুটপাত বা সড়কে হকার বসলে মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে গ্রেফতার করার উদ্যোগ নিয়েছে দুই সিটি।

একদিকে চলছে উচ্ছেদ আরেকদিকে দখল : রাজধানীর ফুটপাত-সড়ক ও অবৈধ স্থাপনা দখলমুক্ত করতে দুই সিটির পক্ষ থেকে প্রতিদিনই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গতকাল বুধবারও উত্তর সিটির পক্ষ থেকে মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্তে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ সিটির পক্ষ থেকে ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট সংলগ্ন ফুটপাত থেকে শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। এরআগেও এসব স্থানে দুই সিটি অভিযান পরিচালনা করেছিল। এভাবে একদিকে চলছে উচ্ছেদ অভিযান, অন্যদিকে অভিযান শেষ হতে না হতেই অনেক স্থানে আবারও বসছে হকারদের দোকানপাট। ফলে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে দুই সিটি করপোরেশনকে। বারবার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেও স্থায়ী সমাধান না আসায় প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে রাজধানীর ফুটপাত দখলের এই চক্র সেই প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

ফুটপাত ও সড়ক থেকে থেমে নেই চাঁদাবাজি : ফুটপাতের দোকানগুলোতে চাঁদার পরিমাণ আগের থেকে বেড়েছে বলে অনেক হকার অভিযোগ করেছেন। তারা বলছেন, এমনিতেই ব্যবসা ভালনা তার উপর চাঁদাবাজির কারণে স্ত্রী সন্তান নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছি। সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্স এলাকার হকাররা জানান, সন্ধ্যার পর গুলিস্তনে তেমন বেচাকেনা হয় না। তাই দিনের বেলায় পণ্য নিয়ে দৌড়ঝাঁপ করে লাইনম্যানদের চাঁদার টাকার ব্যবস্থা করতে হয়। এভাবে আর ব্যবসা করা সম্ভব হচ্ছে না। এখন ব্যবসা ভাল হওয়ার কথা থাকলেও ঠিকমতো পণ্য নিয়ে বসতে না পারায় ব্যবসা ভাল হচ্ছে না। কারণ আমাদের প্রায় উচ্ছেদ করা হচ্ছে। তবুও পেটের দায়ে আমরা আবার বসছি। অন্যদিকে আগে যে পরিমান চাঁদা আদায় করা হতো এখন তার চেয়ে বেশি দেয়া লাগছে। সরকার কর্তৃক আমাদের ব্যবসা করার সুযোগ করে দিলে আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে খেয়ে পড়ে দিন কাটাতে পারতাম।

দক্ষিণ সিটির তালিকাভুক্ত হকার আছে প্রায় আড়াই হাজার : গুলিস্তান ও আশপাশের ফুটপাতে দক্ষিণ সিটির তালিকাভুক্ত হকার আছে প্রায় আড়াই হাজার। যাদের আলাদাভাবে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে হকারদের বিভিন্ন সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, এই ৪৫টি ফুটপাতে অন্তত ১০-১২ হাজার ভাসমান দোকান রয়েছে। এসব দোকান থেকে প্রতিদিন ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা তোলা হয়। চাঁদার হার গড়ে ২০০ টাকা করে হলে ৪৫টি ফুটপাত থেকে দিনে প্রায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা ওঠে। তবে কাদের চাঁদা দেয়া হচ্ছে এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি নন হকাররা। তবে হকারা জানিয়েছে, তারা চাঁদা দিতে রাজি আছেন। তবে আগেরমত যেহেতু সারাক্ষণ ফুটপাতে ব্যবসা করতে পারছেন না তাই চাঁদার পরিমান অর্ধেক করা হলে তাদের কিছুটা ব্যবসা ভাল হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেছেন হকাররা।

জড়িত রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী ব্যাক্তি : ঢাকার ফুটপাত ও সড়ক দখল করে মাসে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য চলছে বছরের পর বছর। এর সাথে জড়িত রয়েছে কিছু রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী ব্যাক্তি। বিশেষ করে যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তাদেরই কিছু অসাধু ব্যাক্তি এর সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এক্ষেত্রে ঢাকায় ১৬৩ কিলোমিটার ফুটপাত রয়েছে। যার বেশিরভাগই দখলমুক্তের পর ফের দখল হচ্ছে। তবে গত কয়েক দিনে জোড়ালো অভিযানে বিভিন্ন সড়কের ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় এতে স্বস্তী প্রকাশ করেছিলেন নগরবাসী। দখলমুক্ত এলাকাগুলোয় আর যাতে কেউ নতুন করে বসতে না পারে সে জন্য নিয়মিত অভিযান পরিচালনার আহবান জানিয়েছেন তারা। সম্প্রতি অভিযানের পর পল্টন ও গুলিস্তানসহ বিভিন্ন এলাকার সব ফুটপাত ফের দখলে চলে গেছে। এরমধ্যে রয়েছে, কাচাবাজার, চা, পান-সিগারেট, জামা-কাপড়, মোবাইল রিচার্জ, বই, খেলনা, হোটেলসহ এমন কোনো জিনিস নেই, যা ফুটপাত ও সড়কে বিক্রি হচ্ছে না। অবৈধ দখলদাররা পল্টন ও গুলস্তান এলাকার ফুটপাতে শুধু পথচারীদের হাঁটা চলার পথই দখল করেনি করেনি, নগরীর সৌন্দর্যও নষ্ট করছে। ফলে তাদের ফের উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী।


ফুটপাতে বসবাস করছেন অনেকে : রাজধানীতে প্রায় তিন কোটি মানুষের বসবাস। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ মানুষই থাকে বস্তিতে। যাদের বস্তিতে বসবাসের সামর্থ নেই তারা নিরুপায় হয়ে বসবাস করছে ফুটপাত ও রেল স্টেশন । কোন কোন দম্পতির ফুটপাতে কাটিয়ে দিচ্ছে জীবনের অনেকটা সময়। এখানেই জন্ম নিচ্ছে তাদের সন্তান। প্রকৃতির নিয়মে সে সন্তানও বেড়ে উঠছে ফুটপাতেই। বন্যা, খরা, নদী ভাঙ্গন, সাইক্লোনসহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত হয়ে আবার কেউ কাজের সন্ধানে এসে কোথাও মাথা গোজার ঠাঁই না পেয়ে এভাবে বছরের পর বছর বসবাস করছে। আবার অনেকেই স্বামী, স্ত্রী সন্তানদের সাথে অভিমান করে ইচ্ছাকৃতভাবে বসবাসের জন্য ফুটপাতর বেছে নিচ্ছে। ফলে এদের কারণেও নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

পথচারীদের বাধ্য হয়ে মূল সড়কে চলাচল করতে হচ্ছে : দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত ও সড়কের অংশ দখল করে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী দোকানপাট, হকারদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন ধরনের অবৈধ স্থাপনা। তাছাড়া, রাজধানীর ব্যস্ত সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোর ফুটপাতের বড় একটি অংশ হকারদের দখলে থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ পথচারীরা। কোথাও ফুটপাতের ওপর পসরা সাজিয়ে বসছেন ব্যবসায়ীরা, কোথাও আবার দোকানের মালামাল ছড়িয়ে পড়ছে মূল সড়কে। এতে পথচারীদের বাধ্য হয়ে যানবাহন চলাচলের পথে হাঁটতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারীদের বাধ্য হয়ে মূল সড়কে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটছে।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের জীবিকা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন : এদিকে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের জীবিকা নিয়েও নানা মহল থেকে প্রশ্ন রয়েছে। তাদের পুনর্বাসন, বিকল্প ব্যবসার জায়গা নির্ধারণ এবং নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব দেয়ার আহবান জানাচ্ছেন তারা। সংশ্লিষ্টদের মতে, নগরীর শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

নগরবাসীর প্রত্যাশা : দুই সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ কার্যকর ও নিয়মিত বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজধানীর ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত হবে, সড়কে চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং জনসাধারণের ভোগান্তি কমবে। নগরবাসীর অভিযোগ, সব ফুটপাত দখলমুক্ত না থাকায় বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধী মানুষের চলাচলে বেশি সমস্যা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ফুটপাত ব্যবহার করতে না পেরে ঝুঁকি নিয়ে সড়কে নামতে হচ্ছে। এতে নগরীর নিরাপদ ও স্বাভাবিক চলাচলব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থায় রাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখতে উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি প্রয়োজন ধারাবাহিক নজরদারি, পুনর্দখল প্রতিরোধ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ জরুরী।

নগর পরিকল্পনাবিদদের মত : রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাতের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হলে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি দখলমুক্ত জায়গা পুনরায় দখল হওয়া ঠেকাতে হবে। শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই স্থায়ী সমাধান আসবে না। প্রয়োজন নিয়মিত তদারকি, আইন প্রয়োগ এবং সমন্বিত ব্যবস্থাপনা। রাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অভিযান কতটা ধারাবাহিক হয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি উচ্ছেদের পর একই স্থানে নতুন করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠছে কি না, তা নজরদারিতে রাখাও জরুরি। তবে ফুটপাত দখলের বিষয়টি শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন নগর ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, পথচারীদের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি হকারদের জীবিকার বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। নির্দিষ্ট স্থান ও সময় নির্ধারণ করে হকারদের ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দেওয়া, নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু এবং নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে সমস্যাটির দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, শুধু ফুটপাত উচ্ছেদ নয়, রাজধানীর যেসব স্থানে ময়লা-আবর্জনা ও অবৈধ দখল নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে; সেসব জায়গায়ও অভিযান চালানো হবে। পথচারীদের চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে সব ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সালাম বলেন, সিটি কর্পোরেশনের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাস্তা ও ফুটপাত পরিষ্কার এবং দখলমুক্ত রাখা হচ্ছে। হকারদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফুটপাত, নৈশকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, তারা কেবল সেখানেই বসতে পারবেন। বিশেষ করে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো রাস্তা সম্পূর্ণ পরিষ্কার রাখা হবে এবং মূল রাস্তায় কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না। হকারদের সতর্ক করার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, রাস্তা ও ফুটপাত পরিষ্কার রাখার জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে সতর্ক করার পাশাপাশি হকার সংগঠনের নেতাদের সাথেও একাধিকবার বৈঠক করা হয়েছে। কিন্তু উচ্ছেদের পরও পুনরায় বসে পড়ায় এখন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। নিয়ম অমান্য করে বসলে মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে গ্রেফতার করা হবে। এই উচ্ছেদ ও দখলমুক্তকরণ অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।###





Loading...
Loading...

রাজধানী- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: