জাতীয় গ্রিডের পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে এ কাজ শেষ হয়। এরপর বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালু করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)।
পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জাতীয় গ্রিডের সব সঞ্চালন লাইন ও গ্রিড উপকেন্দ্র চালু রয়েছে। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পর্যায়ক্রমে চালু করে উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোডশেডিং কমে আসবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে আকস্মিক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয়। এতে রাজধানী ঢাকার পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা এবং চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় এসব এলাকার বাসিন্দাদের সাময়িক ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হওয়া এলাকাগুলোর মধ্যে ছিল ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, উলন ও মতিঝিলসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা। তবে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পিজিসিবি জানায়, জাতীয় গ্রিডের সিস্টেম পুনরুদ্ধারের সময় প্রকৌশলীরা ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের কাজ করেন। জাতীয় গ্রিডের কার্যক্রম ন্যাশনাল লোড ডিসপ্যাচ সেন্টারের (এনএলডিসি) নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, দেশের উত্তরাঞ্চলসহ অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল ছিল। গ্রিড পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ হওয়ায় এখন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পর্যায়ক্রমে চালু করে উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষিপ্ত লোডশেডিং কমে আসবে বলে জানিয়েছে পিজিসিবি।
অনাকাঙ্ক্ষিত এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।