সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এলিজা জামান। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বৈধ হলে এবং আর কোনো বৈধ প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারেন তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেন এলিজা জামান। নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মঈন উদ্দীন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এলিজা জামান বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পিরোজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। পাশাপাশি তিনি জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এলিজা জামান। সংরক্ষিত নারী আসনে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২৮ অক্টোবর আপিল করা যাবে। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৯ অক্টোবর।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১ নভেম্বর। এরপর ২ নভেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। তফসিল অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের তারিখ ১২ নভেম্বর।
তবে এই আসনটি বিএনপির জন্য নির্ধারিত হওয়ায় অন্য কোনো দল এখানে প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারবে না। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ও আপিলের প্রক্রিয়া শেষে এলিজা জামান একমাত্র বৈধ প্রার্থী হিসেবে থাকলে তাঁকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ভোটের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না।
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পর গত ১ অক্টোবর তিনি সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পরে তাঁর পদত্যাগের কারণে সংরক্ষিত নারী আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।
এরপর আসনটিতে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এখন মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ও পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে নির্ধারিত হবে, এলিজা জামান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য হচ্ছেন কি না।