
তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। এসব ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সরকারকে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, “একসময় জামায়াতকে বাদ দিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তার ফল কী হয়েছে, তা জাতি দেখেছে। তাই কাউকে বাদ দিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ নেই। কোনো দল নির্ধারণ করবে না, কে রাজনীতি করবে আর কে করবে না। তা নির্ধারণ করবে জনগণ।”

শনিবার সকালে রাজধানীর গুলশানে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে উপজেলা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট কাজী ফিরোজ রশীদ, নির্বাহী চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. মুজিবুল হক চুন্নু, কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাহিদুর রহমান টেপা, মোস্তফা আল মাহমুদ ও সুনীল শুভ রায়।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম নাসরিন জাহান রতনা, সোলায়মান আলম শেঠ, চেয়ারম্যানের বিশেষ দূত সরুর মাওলা, মো. জসিম উদ্দীন ভূঁইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক নূরুল ইসলাম মিলন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার মো. শাহজাহান, ফখরুল আহসান শাহজাদা, আমানত হোসেন, মো. বেলাল হোসেন এবং ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুদ্দিন আহমেদ শিপু, সেকান্দার আলী সেরনিয়াবাত, ডা. সেলিমা খান ও মাহমুদা রহমান মুন্নি।

সভাপতির বক্তব্যে এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, দেশের মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই সাবেক রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ উপজেলা পদ্ধতি প্রবর্তন করেছিলেন। এর মাধ্যমে প্রশাসনিক সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তিনি বলেন, উপজেলা ব্যবস্থা স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের সমস্যা সমাধান এবং সরকারি সেবা সহজলভ্য করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ নিজ নিজ এলাকায় থেকেই প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিভাজনের কারণে সাধারণ মানুষ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জাতীয় পার্টি জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নাজনীন সুলতানা, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মো. আলমগীর হোসেন, মিজানুর রহমান দুলাল, চিশতী খায়রুল আবরার শিশির, যুগ্ম মহাসচিব এস এম হাসেম, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য গোলাম মোস্তফা, এস এম আমিনুল ইসলাম সেলিম, তাসলিমা আকবর রুনা, আব্দুস সাত্তার, জিয়া উর রহমান বিপুল, সৈয়দ মাসুম, মিজানুর রহমান, নাজমুল খান, মোহাম্মদ আলী, সিমানা আমির ও মো. বজলুর রহমান মৃধাসহ জাতীয় পার্টির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।