ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মাদরাসাগুলোর বিভিন্ন কোর্সের পরীক্ষা ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমানোর আশ্বাস দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান। মাদরাসার অধ্যক্ষদের বিভিন্ন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ আশ্বাস দেন।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত মাদরাসার অধ্যক্ষদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় অধিভুক্ত বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।
ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যৌক্তিক দাবি পূরণে আন্তরিক। তবে যেকোনো দাবি যৌক্তিকতার ভিত্তিতে উপস্থাপন করতে হবে।
তিনি বলেন, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় মাদরাসায় উচ্চশিক্ষার একটি নির্ভরযোগ্য শিক্ষা ও গবেষণার প্ল্যাটফর্ম। আন্তর্জাতিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে বর্তমান ফাযিল পাস ও কামিল মাস্টার্স কোর্সের কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এতে কোর্সের সংখ্যা বেড়েছে। আগে ফাযিল পাস ও কামিল—উভয় কোর্সেই চারটি করে বিষয় বা কোর্স ছিল, বর্তমানে তা বেড়ে সাতটি হয়েছে। কোর্সের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণেই ফরম পূরণের ফি বেড়েছে বলে জানান তিনি।
মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়া অধ্যক্ষরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি নবায়ন ফি, পরীক্ষা ফি, রেজিস্ট্রেশন ফিসহ বিভিন্ন ধরনের ফি কমানোর দাবি জানান। তাঁদের বক্তব্য শোনার পর ভাইস চ্যান্সেলর যৌক্তিক পর্যায়ে ফি কমানোর আশ্বাস দেন। পাশাপাশি মাদরাসা শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. এ. কে. মুহা. নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ ছিদ্দিকী।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন কামিল (স্নাতকোত্তর) শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডিন অধ্যাপক ড. আবুল হোসাইন মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, মাদরাসা পরিদর্শক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হুসাইন আহমাদ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. ওয়ালিউর রহমান, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. আবু বকর ছিদ্দিক, উপ-রেজিস্ট্রার ফাহাদ আহমদ মমতাজী, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. জিয়াউর রহমানসহ বিভিন্ন জেলার অধিভুক্ত মাদরাসার অধ্যক্ষরা।