
এসআরবি-৪ ও এসআরবি-১০-এর যৌথ আভিযানিক দল তাঁকে গ্রেপ্তার করে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, হৃদয় খানের সঙ্গে লাভনী আক্তারের (১৯) বিয়ে হয় ২০২৫ সালের ২ জুলাই। তাঁরা রাজধানীর দারুস সালাম থানার গৈদারটেক এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। গত ১১ জুন তাঁদের একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। শিশুটির নাম সাবিহা ইসলাম রোজা।
মামলার এজাহার ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২২ আগস্ট রাতে পারিবারিক কলহের জেরে হৃদয় তাঁর শিশুকন্যাকে গলাটিপে ও মারধর করে গুরুতর আহত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই সময় শিশুটির মা ও মেয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে শিশুটিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান তিনি।
পরদিন সকালে শিশুটিকে আহত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তার মা দ্রুত শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (পিআইসিইউ) ১৬ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৬ সেপ্টেম্বর শিশুটির মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির মা লাভলী আক্তার বাদী হয়ে রাজধানীর দারুস সালাম থানায় মামলা করেন।
এসআরবি জানায়, ঘটনার পর থেকে হৃদয় খান পলাতক ছিলেন। তাঁকে গ্রেপ্তারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআরবি-৪-এর সহায়তা চান। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে এসআরবি-৪ ও এসআরবি-১০-এর যৌথ দল যাত্রাবাড়ীর দোলাইরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার হৃদয় খানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।