
পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নসের পক্ষ থেকে ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পিসিবি প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র না দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখায় দলটি চলমান ডব্লিউসিএলে অংশ নিতে পারছে না।
এর আগে গত বছরই সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে আয়োজিত এই টুর্নামেন্ট নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল পিসিবি। তাদের অভিযোগ ছিল, ডব্লিউসিএলে খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতিকে মেশানো হচ্ছে। সে সময় পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটারদের এই ধরনের টুর্নামেন্টে অংশ না নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়। ভবিষ্যতে এমন আয়োজনে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার কথাও জানিয়েছিল বোর্ড।
এবার পাকিস্তানকে টুর্নামেন্টে রাখতে আয়োজকেরা পিসিবির কাছ থেকে এনওসি আদায়ের চেষ্টা চালান। এমনকি পাকিস্তানের ম্যাচগুলোর সূচিতেও পরিবর্তন আনার প্রস্তুতি ছিল তাদের। কিন্তু পিসিবি নিজেদের আগের অবস্থান থেকে সরে না আসায় জটিলতা কাটেনি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে গত ৩ অক্টোবর ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে ডব্লিউসিএল। একই দিনে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ম্যাচটি স্থগিত করা হয়েছিল পিসিবির সঙ্গে সমঝোতার আশায়। পরে গত সোমবার পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচও বাতিল হওয়ায় পাকিস্তানের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়।
পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নস দলে এবার অধিনায়ক হওয়ার কথা ছিল সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদির। দলটিতে ছিলেন শোয়েব মালিক, মোহাম্মদ হাফিজ, সরফরাজ আহমেদ ও ওয়াহাব রিয়াজের মতো সাবেক তারকারাও।
গত আসরে পাকিস্তান ডব্লিউসিএলের রানার্সআপ হয়েছিল। এবারও তাদের অংশগ্রহণ ঘিরে আগ্রহ ছিল। তবে পিসিবির এনওসি না দেওয়ার সিদ্ধান্তেই শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টের বাইরে থাকতে হচ্ছে দলটিকে।
পিসিবির সঙ্গে ডব্লিউসিএলের বিরোধের পেছনে গত বছরের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে ঘটনাও ভূমিকা রেখেছিল। ওই আসরে ভারতের দুটি ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ানো এবং পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানকে পয়েন্ট দেওয়ার ঘটনায় তীব্র আপত্তি জানিয়েছিল পিসিবি। এমনকি বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটাঙ্গনের জন্য নেতিবাচক বার্তা হিসেবেও উল্লেখ করেছিল তারা।