
তিনি বলেছেন, আলিয়া মাদরাসাগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে। এ লক্ষ্যে দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের আলিয়া মাদরাসাগুলোর প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী জানুয়ারির মধ্যে ইবতেদায়ী মাদরাসা সরকারীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) আয়োজিত অধিভুক্ত মাদরাসার শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও মাস্টার ট্রেইনার বাছাই বিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, মাদরাসা শিক্ষাকে সময়োপযোগী ও কর্মমুখী করতে দেশের আট বিভাগে আটটি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে মাদরাসা শিক্ষকদের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের আওতায় এনে শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কাজে লাগিয়ে মাদরাসাগুলোতে নিয়মিত ইন-হাউজ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এ জন্য গভর্নিং বডির সহযোগিতায় প্রতি শনিবার শিক্ষকদের জন্য ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ চালুর আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে বাছাই করা ৩০ জন মাদরাসা শিক্ষককে প্রশিক্ষণ শেষে সনদ দেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে আরও শতাধিক দক্ষ মাস্টার ট্রেইনার নির্বাচন করা হবে। তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাদরাসা শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস সিদ্দিকী, ট্রেজারার শাহীনুল ইসলাম, কামিল (স্নাতকোত্তর) শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ গোলাম রব্বানী, কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. আবুল হোসাইন মো. নুরুল ইসলাম, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ও প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর মো. নওসের আলী এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. ওয়ালিউর রহমান।
এ ছাড়া আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক ড. জাবেদ আহমাদ, সহকারী অধ্যাপক (আরবি) হারুনুর রশিদ ও সহকারী অধ্যাপক (আরবি) মোহাম্মদ জাহেদ উল্লাহসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এ. কে. মুহা. নুরুল ইসলাম।