
আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে জাতীয় পার্টির এক জরুরি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. জসিম উদ্দিন ভূইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার মো. শাহজাহান, ফখরুল আহসান শাহজাদা, শেখ মাতলুব হোসেন লিয়ন, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য গোলাম মোস্তফা, আব্দুস সাত্তার, জিয়া উর রহমান বিপুল, সৈয়দ সিরাজুল আরেফিন মাসুমসহ দলের অন্যান্য নেতারা।
সভায় এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এর মধ্যে হামেও আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা জনমনে নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে। একের পর এক রোগে মানুষের মৃত্যু কোনোভাবেই কাম্য নয়। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সরকারকে এখনই প্রয়োজনীয় ও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমের কার্যকারিতাও নিশ্চিত করতে হবে।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি। হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগর ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
হাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিশুদের হাম থেকে সুরক্ষিত রাখতে টিকাদান কর্মসূচি আরও কার্যকর করতে হবে। যেসব এলাকায় হাম ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। অভিভাবকদের মধ্যেও সচেতনতা বাড়াতে হবে, যাতে শিশুদের সময়মতো টিকা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
তিনি আরও বলেন, মানুষের জীবন ও জনস্বাস্থ্য রক্ষা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ডেঙ্গু ও হাম নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অবহেলা মেনে নেওয়ার সুযোগ নেই।