একের পর এক বন্দির মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখে চিকিৎসা ও কারা ব্যবস্থাপনা

শাকিল আহমেদ

জাতীয়

কারাগারের দরজা একবার বন্ধ হলে একজন বন্দির নিরাপত্তা ও চিকিৎসার দায়িত্ব রাষ্ট্রের ওপরই বর্তায়। তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি হোন কিংবা বিচারাধীন

2026-09-09T11:21:58+00:00
2026-09-09T11:21:58+00:00
  বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
 
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতীয়
কারাগার থেকে মর্গ
একের পর এক বন্দির মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখে চিকিৎসা ও কারা ব্যবস্থাপনা
শাকিল আহমেদ
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২১ এএম 
সংগৃহীত ছবি
কারাগারের দরজা একবার বন্ধ হলে একজন বন্দির নিরাপত্তা ও চিকিৎসার দায়িত্ব রাষ্ট্রের ওপরই বর্তায়। তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি হোন কিংবা বিচারাধীন হাজতি, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকাকালে তাঁর জীবন ও চিকিৎসার অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব কারা কর্তৃপক্ষের। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কারাগার কিংবা কারা হেফাজত থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পর একের পর এক বন্দির মৃত্যুর ঘটনায় সেই দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে গত ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একই দিনে তিন কারাবন্দির মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রে আসে।

এর রেশ কাটতে না কাটতেই ৭ সেপ্টেম্বর জানা যায়, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি আজহারুল ইসলাম মিলনেরও মৃত্যু হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর রাতে অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

একাধিক মৃত্যুর এই ধারাবাহিকতায় সামনে এসেছে কয়েকটি মৌলিক প্রশ্ন, কারাগারে বন্দিদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা কতটা কার্যকর? জরুরি মুহূর্তে চিকিৎসক ও ওষুধ পাওয়া যায় কি? গুরুতর অসুস্থ বন্দিকে হাসপাতালে পাঠাতে কোনো বিলম্ব হচ্ছে কি না? আর কারা হেফাজতে মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কতটা স্বচ্ছতার সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে?

এক দিনে তিন মৃত্যু: ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান হাজতি আবুল বাশার, হাজতি আবদুল কাউয়ুম ও কয়েদি শাহদাত হোসেন লিটন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে তাঁদের বয়স নিয়ে সামান্য পার্থক্য থাকলেও তিনজনই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে চিকিৎসার জন্য ঢামেকে নেওয়া হয়েছিলেন।

আবুল বাশার ও আবদুল কাউয়ুমকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে শাহদাত হোসেন লিটন ২৮ আগস্ট থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। একই সময়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারুল ইসলাম মিলনের মৃত্যুর খবরও সামনে আসে। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার একটি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই বন্দিকে অসুস্থ অবস্থায় ৬ সেপ্টেম্বর রাতে ঢামেকে নেওয়া হয়েছিল।

এর আগেও সেপ্টেম্বরের শুরুতে কারাবন্দির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ৩ সেপ্টেম্বর মো. বাবুল হোসেন (৪৫) নামের এক হাজতিকে অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢামেকে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়। কারাসূত্রে জানা যায়, তিনি মাদক মামলায় বন্দি ছিলেন।

শুধু ঢাকা নয়, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারেও ঘটেছে একই ধরনের ঘটনা। গত ২ সেপ্টেম্বর নুরুল ইসলাম নামে এক বন্দি বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাঁকে প্রথমে কারা হাসপাতালে এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ ঘটনাতেও একই চিত্র: ৬ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অসুস্থ অবস্থায় ঢামেকে আনা হয় আলী আকবর মন্ডলকে (৬৭)। আশুলিয়া থানার নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় তিনি বন্দি ছিলেন। রাত পৌনে একটার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয় বলে ঢামেক পুলিশ জানিয়েছে।

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর দিকে তাকালে একটি চিত্র বারবার সামনে আসে—বন্দি অসুস্থ হচ্ছেন, কারা কর্তৃপক্ষ তাঁকে হাসপাতালে পাঠাচ্ছে, কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর পর অনেকের মৃত্যু হচ্ছে। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, অসুস্থতার প্রাথমিক পর্যায়েই কি পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে? গুরুতর অসুস্থ হওয়ার আগেই কি বন্দিদের স্বাস্থ্যঝুঁকি শনাক্ত করা হচ্ছে? নাকি সংকটাপন্ন হওয়ার পরই তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে?

তবে এসব মৃত্যুকে সরাসরি চিকিৎসায় অবহেলা, নির্যাতন কিংবা কারা কর্তৃপক্ষের গাফিলতির ফল হিসেবে চিহ্নিত করার সুযোগ নেই। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে প্রয়োজন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, চিকিৎসা নথি, হাসপাতালের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট কারা কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনা। প্রতিটি মৃত্যুর ক্ষেত্রেই তথ্যভিত্তিক ও স্বাধীন অনুসন্ধান জরুরি।
দুই বছরে মৃত্যুর হিসাব নিয়ে ভিন্নতা : কারা হেফাজতে মৃত্যুর সামগ্রিক চিত্রও উদ্বেগ তৈরি করছে। গত জুলাইয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন—এমএসএফের তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ৬ জুলাই পর্যন্ত কারা হেফাজতে ২২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাবে কারাবন্দি মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৯০। অন্যদিকে কারা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ৩৪২ জন বন্দির মৃত্যু হয়েছে।

পরিসংখ্যানের এই পার্থক্যের পেছনে সময়সীমা, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি ও সংজ্ঞাগত পার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু হিসাব যেটিই ধরা হোক না কেন, বন্দিদের মৃত্যুর সংখ্যা যে কম নয়, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয়।

কারা কর্তৃপক্ষের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ১৮৯ জন, ২০২৫ সালে ১৩৬ জন এবং ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ১৭ জন বন্দির মৃত্যু হয়েছে। এর আগের বছর, ২০২৩ সালে এ সংখ্যা ছিল ২৩২। সংখ্যাগুলো শুধু পরিসংখ্যান নয়। প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে একজন মানুষ, একটি পরিবার এবং মৃত্যুর একটি কারণ।

চিকিৎসক ও অ্যাম্বুল্যান্স সংকট: কারাগারে বন্দিদের চিকিৎসা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার বিষয়টিও বহুবার আলোচনায় এসেছে। ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, দেশের ৬৮টি কারাগারের জন্য অ্যাম্বুল্যান্স ছিল মাত্র ২৩টি। কোথাও অ্যাম্বুল্যান্স না থাকলে গুরুতর অসুস্থ বন্দিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। একই সঙ্গে রাতের সময়ে চিকিৎসক না থাকার সমস্যার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

২০২৬ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, বন্দিদের মৃত্যুর বড় একটি অংশ হৃদরোগজনিত। পাশাপাশি চিকিৎসক সংকটকেও কারাগারের স্বাস্থ্যসেবার বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, একজন বন্দি হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কারাগারের ভেতরে তাঁকে বাঁচানোর মতো জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত?

কারাগারের চিকিৎসাব্যবস্থা কেবল অসুস্থ বন্দিকে হাসপাতালে পাঠানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কথা নয়। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, জরুরি চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় ওষুধ, প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী, পর্যাপ্ত অ্যাম্বুল্যান্স এবং দ্রুত বিশেষায়িত চিকিৎসার সঙ্গে কারা স্বাস্থ্যব্যবস্থার সমন্বয় থাকা জরুরি।

মৃত্যুর কারণ কতটা স্বচ্ছভাবে খতিয়ে দেখা হয়? কারাগারে কোনো বন্দির মৃত্যু হলে ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর কারণ নির্ধারণের সুযোগ থাকে। কিন্তু ময়নাতদন্তের পাশাপাশি প্রতিটি মৃত্যুর আগে বন্দির শারীরিক অবস্থা কেমন ছিল, কখন অসুস্থ হন, কখন কারা হাসপাতালে নেওয়া হয়, কখন উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হয় এবং হাসপাতালে পৌঁছাতে কত সময় লেগেছে, এসব তথ্যও গুরুত্বপূর্ণ।

মানবাধিকারকর্মীদের প্রশ্ন, কারা হেফাজতে মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনায় এসব বিষয় কতটা স্বাধীনভাবে পর্যালোচনা করা হয়? অন্যদিকে কারা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হলো, কোনো বন্দি অসুস্থ হলে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া এবং হাসপাতালে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। বন্দির পরিচয় বা মামলার ধরন বিবেচনা না করে সবাইকে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কথাও বলে আসছে কর্তৃপক্ষ।

তবে সাম্প্রতিক মৃত্যুর ধারাবাহিকতা বলছে, শুধু ‘হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে’ এ তথ্য দিয়ে দায় শেষ হয় না। একজন বন্দিকে কখন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, তার আগে কী চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল এবং হাসপাতালে পৌঁছানোর সময় তাঁর শারীরিক অবস্থা কেমন ছিল, এসব প্রশ্নের উত্তরও গুরুত্বপূর্ণ।

এ বিষয়ে সাবেক কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বলেন, কারাগারে বন্দিদের অধিকাংশ মৃত্যুর পেছনে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের মতো শারীরিক জটিলতা কাজ করে। মাদকাসক্ত বন্দিরা কারাগারে এসে মাদক না পাওয়ায় শারীরিক-মানসিক সংকটে পড়েন। আবার অনেকে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পেরে হতাশা ও ট্রমায় ভোগেন। এর সঙ্গে চিকিৎসক সংকটও বড় সমস্যা।

জবাবদিহিই এখন বড় প্রশ্ন: কারাগারে একজন মানুষ রাষ্ট্রের সরাসরি হেফাজতে থাকেন। ফলে সেখানে তাঁর স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। আর চিকিৎসায় গাফিলতি, দায়িত্বে অবহেলা, নির্যাতন কিংবা অন্য কোনো অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। কারণ কারাগারের দেয়ালের ভেতরে ঘটে যাওয়া একটি মৃত্যু বাইরে থাকা মানুষের কাছে সহজে দৃশ্যমান হয় না। ফলে স্বচ্ছ তদন্ত না হলে স্বাভাবিক মৃত্যুও সন্দেহের জন্ম দিতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক বন্দির মৃত্যুর ঘটনায় সেই পুরোনো প্রশ্নই আবার সামনে এসেছে, কারাগার কি কেবল বন্দিত্ব নিশ্চিত করার জায়গা, নাকি সেখানে বন্দির মানবিক অধিকার ও জীবন রক্ষার দায়িত্বও সমানভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিতর্কের চেয়ে প্রতিটি মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে এমন মৃত্যু ঠেকানোর ব্যবস্থা করাই বেশি জরুরি। এজন্য কারাগারভিত্তিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করা, চিকিৎসক ও নার্সের সংকট দূর করা, পর্যাপ্ত অ্যাম্বুল্যান্স নিশ্চিত করা এবং কারা হেফাজতে প্রতিটি মৃত্যুর পর স্বচ্ছ তদন্তের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
কারাগারের দেয়ালের ভেতরের মৃত্যু যদি কেবল একটি সংখ্যা হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্নের শেষ হবে না। বরং প্রতিটি মৃত্যুই জন্ম দেবে নতুন সন্দেহের। তাই এখন সবচেয়ে জরুরি, কারাগারে কোনো বন্দির মৃত্যু যেন কেবল একটি পরিসংখ্যান হয়ে না থাকে। তাঁর অসুস্থতা থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের হিসাব থাকুক। জানা যাক মৃত্যুর প্রকৃত কারণ। আর যদি কোথাও দায়িত্বে ঘাটতি থাকে, সেটিও উঠে আসুক তদন্তে। কারণ রাষ্ট্রীয় হেফাজতে একটি জীবন হারানো মানেই শুধু একটি মৃত্যু নয়, এটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও জবাবদিহিরও একটি পরীক্ষা। 



Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: