মাছ, মুরগি ও গবাদিপশুর খাবার বা ফিড এখন প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনের প্রধান ভিত্তি। দেশে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ছোট ছোট কারখানাও ফিড উৎপাদন করছে। তবে এই ফিডের মান নিয়ে রয়েছে উদ্বেগ। বিভিন্ন গবেষণায় বিভিন্ন ফিডে অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ, সীসা, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম এবং ছত্রাকের বিষ আফলাটক্সিনসহ নানা ক্ষতিকর উপাদান পাওয়ার তথ্য এসেছে। তবে নমুনাভিত্তিক গবেষণার ফল খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। এ কারণে বিএসটিআই বিভিন্ন ফিড শেষে অভিযাপন পরিচালনা শুরু করলে অসন্তুষ্ট হন শিল্প মাািলকরা। যার ফলে মন্ত্রণলেয়ের পক্ষ থেকে ২ মাসের সময় বেধে দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৫ দিন শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাণীর খাবারে ক্ষতিকর উপাদান থাকলে তার প্রভাব শুধু খামারের প্রাণীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা মাংস, দুধ ও ডিমের মাধ্যমে মানুষের খাদ্যশৃঙ্খলেও প্রবেশ করতে পারে। আবার অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা ওষুধ প্রতিরোধী জীবাণুর ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও প্রাণী খাদ্যে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নথিতেও বিভিন্ন ফিড মিল, ফিড ও ড্রাগস প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়ীর জন্য এনওসি দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। মৎস্য খাতেও বড় ও ছোট অনেক প্রতিষ্ঠান মাছ ও চিংড়ির ফিড উৎপাদন করছে। সরকারি নথিতে ফিশ ফিড উৎপাদক, প্রসেসর, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, পাইকার ও খুচরা বিক্রেতার লাইসেন্সের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন ফিড ও খাদ্য উপকরণের যথেচ্ছা ব্যবহার লক্ষ করা গেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মাইকোটক্সিনের মধ্যে আফলাটক্সিন অন্যতম ভয়ংকর। দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে এবং ক্যানসারের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
বাংলাদেশে মাছ ও চিংড়ির ফিড নিয়ে করা একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে ২০২৫ সালে। গবেষণায় ঢাকা ও সাতক্ষীরা থেকে ৪৮টি মাছ ও চিংড়ির ফিডের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। গবেষণায় মাছের ফিডে মোট আফলাটক্সিনের সর্বোচ্চ মাত্রা পাওয়া যায় ১৯৬.২৫ মাইক্রোগ্রাম/কেজি। চিংড়ির ফিডে সীসার সর্বোচ্চ মাত্রা ছিল ৩.৩২৪ মিলিগ্রাম/কেজি। ক্রোমিয়ামের সর্বোচ্চ মাত্রা পাওয়া যায় ১৭৪.৬ মিলিগ্রাম/কেজি। মাছের ফিডে ক্যাডমিয়ামের সর্বোচ্চ মাত্রা ছিল ০.৩৯৮ মিলিগ্রাম/কেজি।
গবেষক দলের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) ইনস্টিটিউট অব ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির গবেষক আনিকা তাবাসসুম, মো. মাহফুজুল হাসান, শেখ মুজাহিদুল ইসলাম, মো. জিয়া উদ্দিন আল মামুন ও মোহাম্মদ তারিকুল হাসান। গবেষক শেখ মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ফিডে এসব বিষাক্ত পদার্থ থাকলে তা মাছের শরীরে জমা হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করে। পরে খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে মানুষের কাছেও ঝুঁকি যেতে পারে।
২০২২ সালের একটি গবেষণায় ৯৪টি ব্রয়লার ফিডের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ১৮.৮৯ শতাংশ নমুনায় অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যায়। এর মধ্যে অক্সিটেট্রাসাইক্লিন সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়। একই গবেষণায় ফিডে সীসা, ক্যাডমিয়াম ও ক্রোমিয়ামের উপস্থিতিও পাওয়া যায়। আরেকটি গবেষণায় ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ এলাকার ৪০টি পোলট্রি ফিডের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ক্রোমিয়াম, ক্যাডমিয়াম ও সীসার পাশাপাশি সিপ্রোফ্লক্সাসিন, ডক্সিসাইক্লিন ও অক্সিটেট্রাসাইক্লিনের উপস্থিতি পাওয়া যায়। গবেষকরা নিয়মিত ফিড পরীক্ষা ও উৎস শনাক্ত করার ওপর জোর দেন।
২০২৩ সালের আরেক গবেষণায় ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলা থেকে ১২০টি পোলট্রি ফিডের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর প্রায় ১৫.৮ শতাংশে অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যায়। একই গবেষণায় মাংস ও ডিমের নমুনাতেও অ্যান্টিবায়োটিক অবশিষ্টাংশ পাওয়া যায়। ২০২৪ সালে প্রকাশিত আরেক গবেষণায় বাংলাদেশের বাজারের মুরগি ও পোলট্রি ফিডে সীসা, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম, আর্সেনিক ও পারদ পরীক্ষা করা হয়। গবেষকরা ফিডের মান কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণের সুপারিশ করেন। তবে সব গবেষণার ফল একই নয়।
২০২৬ সালে শিল্প এলাকার কাছাকাছি উৎপাদিত পোলট্রি ফিড, মাংস ও ডিম নিয়ে প্রকাশিত একটি গবেষণায় কিছু নমুনায় সীসা ও তামা পাওয়া গেলেও সেগুলোর মাত্রা নির্ধারিত আন্তর্জাতিক সীমার নিচে ছিল। এতে ঝুঁকির মাত্রা কম পাওয়া যায়।
২০২৬ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় পোলট্রি শিল্পে মাইকোটক্সিন ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের মানবস্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণাটির প্রধান লেখকদের একজন মোনির উজ্জামান। তিনি বলেন, মাইকোটক্সিন ও অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার দীর্ঘমেয়াদে লিভার, কিডনি ও হৃদ্যন্ত্রের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। তারা খাদ্যশৃঙ্খলে এসব দূষকের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষতির ধরন নির্ভর করে কোন উপাদান কত মাত্রায় এবং কতদিন শরীরে প্রবেশ করছে তার ওপর। সীসা স্নায়ুতন্ত্র, কিডনি ও অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে সীসার ঝুঁকি আরও বেশি। ক্যাডমিয়াম দীর্ঘদিন শরীরে জমলে কিডনির ক্ষতি হতে পারে। কিছু ধরনের ক্রোমিয়াম যৌগ ক্যানসারের সঙ্গে সম্পর্কিত। আফলাটক্সিন লিভারের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি দীর্ঘমেয়াদে লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা এএমআর। প্রাণীতে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে প্রতিরোধী জীবাণু তৈরি হতে পারে। এসব জীবাণু খাদ্য ও পরিবেশের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের গবেষণা কী বলছেঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যশৃঙ্খলে ওষুধের অবশিষ্টাংশ এবং অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স নিয়ে গবেষণা করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রোফাইলে তার গবেষণার অন্যতম ক্ষেত্র হিসেবে খাদ্যশৃঙ্খলে ওষুধের অবশিষ্টাংশ ও মানবস্বাস্থ্যের ঝুঁকির কথা উল্লেখ রয়েছে। ২০২৬ সালে প্রকাশিত আরেক গবেষণায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরাও প্রাণিজ খাদ্যে অ্যান্টিবায়োটিক অবশিষ্টাংশকে খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। গবেষণায় এএমআর, অ্যালার্জি এবং মানুষের অন্ত্রের জীবাণুর ভারসাম্যে সম্ভাব্য প্রভাবের কথা বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, মাছ, মুরগি ও হাঁসসহ প্রাণিসম্পদের খাবার বা ফিড উৎপাদনে সরকারি নির্দেশনার বাইরে ক্ষতিকর উপাদান ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এসব অনিয়ম বন্ধ করে সরকারি গাইডলাইন মেনে ফিড উৎপাদন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই মাস সময় দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ফিড মিল ও বিক্রয়কেন্দ্রে সরেজমিন গিয়ে পণ্য পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন। ফিডে ক্ষতিকর উপাদান ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, মাছ উৎপাদনের পাশাপাশি নিরাপদ মাছ উৎপাদনের ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। এ জন্য সরকারি নির্ধারিত গাইডলাইন অনুযায়ী ফিড উৎপাদন করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ইতোমধ্যে বৈঠকও করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ফিড উৎপাদনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শনে গিয়ে গাইডলাইনের বাইরে কিছু বিষয় পাওয়া গেছে। এসব ঠিক করার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক থেকে দুই মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে। এরপর সরকারি গাইডলাইনের বাইরে কোনোভাবেই ফিড উৎপাদন করা যাবে না। সরকার ফিড মিলগুলোতে সরেজমিন পরিদর্শন করবে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে থাকা পণ্য এবং বিক্রয়কেন্দ্রে গিয়ে ফিডের নমুনা পরীক্ষা করা হবে।
জানা গেছে, চলতি মাসের ২ তারিখ মন্ত্রীর সঙ্গে ফিড ও পোল্ট্রি শিল্পের শীর্ষ সংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় নেতারা বলেন, দেশের বিভিন্ন ফিড মিলে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই)-এর সাম্প্রতিক অভিযানকে কেন্দ্র করে ফিড শিল্পে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দেশে পশুখাদ্য উৎপাদন, নিবন্ধন, মান নিয়ন্ত্রণ, নমুনা সংগ্রহ, পরিদর্শন এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পশুখাদ্য আইন, ২০১০ ও পশুখাদ্য বিধিমালা, ২০১৩-এর অধীনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে সুস্পষ্ট দায়িত্ব ও ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সেই বাস্তবতায় একই বিষয়ে বিএসটিআইর অভিযান শিল্পে দ্বৈত নিয়ন্ত্রণের ধারণা তৈরি করছে, যা উদ্যোক্তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছে।
তাদের বক্তব্য, ফিড মিলগুলোর নিবন্ধন থেকে শুরু করে নিয়মিত তদারকি, নমুনা সংগ্রহ, মান যাচাই, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ সবকিছুই প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কোনো প্রতিষ্ঠান অনিয়ম করলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের প্রচলিত আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার পূর্ণ সুযোগ রয়েছে। তাই একই বিষয়ে অন্য একটি সংস্থার অভিযান পরিচালনা শিল্পের জন্য জটিলতা সৃষ্টি করছে।
সংগঠনগুলোর নেতারা আরও বলেন, কোনো পশুখাদ্যের গুণগত মান নির্ধারণ একটি বৈজ্ঞানিক ও পরীক্ষানির্ভর প্রক্রিয়া। নির্ধারিত পরীক্ষাগারে নমুনা বিশ্লেষণ ছাড়া কোনো পণ্যের মান সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ-উভয় বিষয়কে সমান গুরুত্ব দিয়েই সরকার কাজ করবে। একই সঙ্গে তিনি উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পশুখাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং প্রচলিত আইন ও বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের আহ্বান জানান। যেসব প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের বা ভেজাল পশুখাদ্য উৎপাদন করবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, তারা গবেষণায় দেখেছেন প্রাণিজ খাদ্যে ওষুধের অবশিষ্টাংশ এবং অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের বিষয় রয়েছে। পোলট্রি ফিডে অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং ব্রয়লারে অবশিষ্টাংশ নিয়ে গবেষণার তথ্য রয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকটি চলমান গবেষণায় বলা হয়েছে শুধু ফিডের গুণগত মান নয়। ফিড থেকে প্রাণী এবং প্রাণী থেকে মানুষের খাদ্যে দূষক স্থানান্তরের পুরো চেইনটি পরীক্ষা করা হচ্ছে।