
পিবিআই জানিয়েছে, আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতেই হাফিজুর রহমানকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি আত্মগোপনে চলে যেতে পারেন—এমন আশঙ্কাও ছিল তদন্তকারী সংস্থার। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে তনু হত্যা মামলায় গত ২২ এপ্রিল হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর গত ৪ আগস্ট কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।
তবে তাঁর জামিনের বিষয়টি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। গত ৬ আগস্ট হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। একই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাফিজুর রহমানকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের আদেশে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি আত্মসমর্পণ না করলে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারবে পুলিশ। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী শনিবার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মর্মান্তিক এ হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। তনু হত্যার বিচার দাবিতে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়।
মামলাটি দীর্ঘ সময় ধরে তদন্তাধীন থাকার পর সাম্প্রতিক সময়ে তদন্তে নতুন করে অগ্রগতির খবর পাওয়া যায়। তদন্তের অংশ হিসেবে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মামলায় হাফিজুর রহমানের গ্রেপ্তার, জামিন এবং পুনরায় গ্রেপ্তারের ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে দীর্ঘদিনের এই বহুল আলোচিত হত্যা মামলা।