হামলায় উসকানির অভিযোগ: ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরের ফোনালাপ উপস্থাপন

অনলাইন ডেস্ক

আইন-আদালত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালাতে ছাত্রলীগকে (নিষিদ্ধঘোষিত) উসকানি দেওয়ার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের

2026-08-06T17:56:07+00:00
2026-08-06T17:56:07+00:00
  শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬,
২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
 
শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬
আইন-আদালত
হামলায় উসকানির অভিযোগ: ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরের ফোনালাপ উপস্থাপন
অনলাইন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৬ পিএম 
হামলায় উসকানির অভিযোগ: ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরের ফোনালাপ উপস্থাপন
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালাতে ছাত্রলীগকে (নিষিদ্ধঘোষিত) উসকানি দেওয়ার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের একটি ফোনালাপের রেকর্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ উপস্থাপন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দ্বিতীয় দিনে রেকর্ডটি ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়। পরে আদালতে সেটি বাজিয়ে শোনানো হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত ওই রেকর্ডে শোনা যায়, ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধঘোষিত) তৎকালীন সভাপতি সাদ্দাম হোসেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি সম্পর্কে ওবায়দুল কাদেরকে অবহিত করলে তিনি বলেন, “পেটাও না কেন? মারো না কেন ওদের? চড়াও হতে দাও কেন? সুযোগ দাও কেন?”

ফোনালাপে সাদ্দাম হোসেন দাবি করেন, আন্দোলনে জামায়াত ও বিএনপির কর্মীরা যুক্ত হয়েছেন এবং পুলিশ তাদের আন্দোলনকারীদের মুখোমুখি হতে নিষেধ করেছে। এ বিষয়ে দুজনের মধ্যে আরও কথোপকথন হয়, যা আদালতে শোনানো হয়।

শুনানি শেষে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম সাংবাদিকদের জানান, ২০২৪ সালের ১১ জুলাইয়ের ওই কথোপকথনের রেকর্ডটি সিআইডির ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়েছে। তাঁর দাবি, কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা অধীনস্থদের উদ্দেশে এ ধরনের নির্দেশ দিলে তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের আওতায় উসকানিমূলক অপরাধের প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

এর আগে গত ২ আগস্ট মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ৪ আগস্ট থেকে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। মামলার সব আসামিই বর্তমানে পলাতক।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ২২ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।


Loading...
Loading...

আইন-আদালত- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: