এবার কি রাজনীতিতে আসছেন ককরোচ পার্টির নেতারা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ভারতের রাজনীতিতে নতুন সম্ভাবনা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে ককরোচ পার্টির নেতাদের ভবিষ্যৎ ভূমিকা ঘিরে। পূর্ণকালীন রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা

2026-07-26T09:58:00+00:00
2026-07-26T10:37:30+00:00
  সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬,
১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
 
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ‘গণতন্ত্রের জয়’
এবার কি রাজনীতিতে আসছেন ককরোচ পার্টির নেতারা?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৮ এএম  আপডেট: ২৬.০৭.২০২৬ ১০:৩৭ এএম
সংগৃহীত ছবি
ভারতের রাজনীতিতে নতুন সম্ভাবনা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে ককরোচ পার্টির নেতাদের ভবিষ্যৎ ভূমিকা ঘিরে। পূর্ণকালীন রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে দলের এক নেতা সরাসরি না বললেও বিষয়টি উড়িয়ে দেননি। বরং তিনি বলেন, ‘ভারতে কখনোই কোনো কিছুকে না বলতে নেই।’ তার এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা।
 
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে দেখছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতারা। ৩৬ দিনের টানা আন্দোলনের ফলে বিজেপি সরকার তাদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে বলে বিশ্বাস তাদের। শিক্ষার্থী ও যুবকদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলে আন্দোলন সফল হয়েছে বলে মনে করছে সিজেপি।

এই সফল আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া সিজেপি নেতারা রাজনীতিতে যোগ দেবেন কি না, এ নিয়ে সব স্তরে কৌতুহল তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি সিজেপির দুই মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার সাক্ষাৎকার নিয়েছে।

পূর্ণকালীন রাজনীতিতে যোগ দেবেন কি না, এমন প্রশ্নে তাদের মধ্যে একজন বলেছেন, ভারতে কখনোই কোনো কিছুকে না বলবেন না। তবে সিজেপি এখনই পূর্ণকালীন রাজনীতিতে নামার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, যুব নেতৃত্বাধীন তৃণমূল আন্দোলনকে শক্তিশালী করাই তাদের অগ্রাধিকার।

রানকা এনডিটিভিকে বলেছেন, আমার মনে একমাত্র যে বিষয়টি কাজ করছে তা হল, বাড়িতে ফেরা ও ঘুমানো, বিশ্রাম নেবো আর পরিবারের সঙ্গে দেখা করবো। গত কয়েক মাস ধরে আমি বাড়ি থেকে দূরে আছি আর আমি সত্যিই আরাম করতে চাই। গত দুই মাসে যা যা ঘটেছে তা আমাদের সবাইকেই কাবু করে ফেলেছে বলে আমার ধারণা।

এটা গর্বের মুহূর্ত। এটা সত্যি খুশি হওয়ার, স্বস্তি পাওয়ার মুহূর্ত। এরপর কী হয় দেখবো আমরা।

তিনি রাজনৈতিক জীবনের কথা নাকচ করে দিচ্ছে কি না, সরাসরি এমন প্রশ্নে তিন বলেন, “আমি যা অনুভব করি ভারতে কখনোই কোনো কিছুকে না বলতে নেই। সৌরভ দাস জোর দিয়ে জানিয়েছেন, রাজনীতি তাদের দলের তাৎক্ষণিক উদ্দেশ্য নয়।

তিনি বলেছেন, “আমাদের লক্ষ্য খুব স্পষ্ট। এই আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, কারণ ইতোমধ্যে (দেশে) ৭৫০ থেকে ৮০০ মতো রাজনৈতিক দল আছে। এগুলোর কোনোটিই তরুণদের ইচ্ছাকে পূর্ণতা দিতে সক্ষম না।

আর আমরা এই আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই যেন ক্ষমতায় থাকা যেকোনো রাজনৈতিক দল বা নেতা তরুণদের জন্য কাজ করতে সমর্থ হয় আর তাদের দাবি পূরণ করে। এই মুহূর্তে এটাই আমাদের কর্মসূচী।

ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জানিয়েছেন, আন্দোলনের পথ থেকে এখনই সরছেন না তারা। লিখিতভাবে সরকার সব দাবি মেনে নেওয়ার কথা না জানালে অবস্থান মঞ্চ ছাড়বেন না তারা।


  বিষয়:   ভারত  ককরোচ পার্টি  রাজনীতি  শিক্ষামন্ত্রী 


Loading...
Loading...

আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: