ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলমান বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই আন্দোলন নিয়ে নতুন ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন পদক্ষেপের কথা জানান। এদিকে বিরোধী দলগুলোর প্রতিবাদ, নিরাপত্তা জোরদার এবং জনমনে বাড়তে থাকা উদ্বেগে দিল্লির পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগ চেয়েছে বিরোধী দলগুলো।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে মোদি লিখেছেন, আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি। যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।