বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির হাইকমিশনার সারা কুক শিক্ষা, বিনিয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন, নারীর ক্ষমতায়ন ও স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারা কুকের সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষা খাতের অগ্রগতির প্রশংসা করেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী যুক্তরাজ্য।
বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও কথা হয়। এ সময় মন্ত্রী জানান, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে কাজ করছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করে। বহুদলীয় গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র আরও সুসংহত হবে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান সারা কুক।
এদিকে একই দিনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনওপিএস বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সুধীর মুরালিধরনের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা হয়। ইউএনওপিএস প্রতিনিধিদল টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রমে ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।