ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ দেশটির রাজধানী তেহরান থেকে পবিত্র শহর কুমে পৌঁছেছে। সেখানে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন ও জানাজাসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এ ঘটনাকে ঘিরে কুমে হাজারো মানুষের সমাগম হয়েছে, আর গোটা ইরানজুড়ে চলছে শোকের আবহ।
দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ফুটেজে একটি হেলিকপ্টারে করে খামেনির মরদেহ কুমে পৌঁছানোর দৃশ্য দেখানো হয়েছে।
এর আগে টানা তৃতীয় দিনের মতো রাজধানী তেহরানের রাস্তায় খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দাবি, লাখো-লাখো মানুষ ওই শোক মিছিলে অংশ নেন। অনেকের মতে, ১৯৮৯ সালে ইরানের বিপ্লবী নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজা ও শোকযাত্রার পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় জনসমাগমগুলোর একটি।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, একটি ট্রাকে করে খামেনির মরদেহের পাশাপাশি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত তার পরিবারের আরও চার সদস্যের মরদেহ বহন করা হয়। শোক মিছিলটি ধীরগতিতে তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলের আজাদি স্কয়ারের দিকে অগ্রসর হয়।
কালো পোশাক পরিহিত শোকাহত মানুষেরা কফিনগুলোর ওপর ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে খামেনির ১৪ মাস বয়সী এক নাতনির মরদেহও ছিল।