টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু নদীর পানি বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় বান্দরবানের থানচি উপজেলার সঙ্গে দুর্গম তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নের নৌযোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনা এড়াতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উপজেলার সব পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (৬ জুলাই) সকাল থেকে সাঙ্গু নদীতে তীব্র স্রোত ও পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নের বাসিন্দারা উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে পারছেন না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল জানান, সাঙ্গু নদীর তীব্র স্রোত, পাহাড়ধসের ঝুঁকি এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত থানচির সব পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনে নৌপথ ও পাহাড়ি এলাকায় চলাচল না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, আবহাওয়ার উন্নতি এবং ঝুঁকি কেটে গেলে পর্যটনকেন্দ্রগুলো পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে থানচি–বান্দরবান সড়কের নীলগিরি এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটলেও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ধসে পড়া মাটি অপসারণ করে সড়কটি যান চলাচলের উপযোগী করেন।
অন্যদিকে, তিন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভাগ্য চন্দ্র ত্রিপুরা জানান, নদীর পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের কারণে থানচি সদর থেকে ইউনিয়নের সঙ্গে সব ধরনের নৌযোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত স্থানীয়দের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।