বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’ নিয়ে মহাকাশে গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তথ্যপ্রযুক্তি

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিশিয়াল ম্যাচ বল ‘ট্রাইওন্ডা’ এবার পৌঁছে গেছে পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে মহাকাশে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) অবস্থানরত মার্কিন

2026-06-25T16:17:14+00:00
2026-06-25T16:17:14+00:00
  শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬,
১২ আষাঢ় ১৪৩৩
 
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
তথ্যপ্রযুক্তি
বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’ নিয়ে মহাকাশে গবেষণা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৪:১৭ পিএম 
মহাকাশে ট্রাইওন্ডা বল নিয়ে খেলছেন নভোচারীরানাসার ভিডিও থেকে নেওয়া।
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিশিয়াল ম্যাচ বল ‘ট্রাইওন্ডা’ এবার পৌঁছে গেছে পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে মহাকাশে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) অবস্থানরত মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার নভোচারীরা বলটি নিয়ে শূন্য অভিকর্ষ বা মাইক্রোগ্র্যাভিটি পরিবেশে বিশেষ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালিয়েছেন।

এ গবেষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল ফুটবলের ভারসাম্য, ভরকেন্দ্র এবং বাতাসে বলের গতিবিধির ওপর এসব উপাদানের প্রভাব বিশ্লেষণ করা। নাসা জানিয়েছে, ট্রাইওন্ডা বল ব্যবহার করে ২০১৯ সালে পরিচালিত একটি গবেষণাকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি ফুটবলের ভরকেন্দ্র সামান্য এদিক-সেদিক হলেও মাঠে শট নেওয়ার পর বলের গতিপথে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। অনেক সময় বল বাতাসে অস্বাভাবিকভাবে দুলতে পারে বা নির্ধারিত দিক থেকে সরে যেতে পারে। মহাকাশে পরিচালিত পরীক্ষায় নভোচারীরা নিখুঁত ভারসাম্যযুক্ত বল এবং ত্রুটিপূর্ণ ভারসাম্যযুক্ত বলের আচরণের মধ্যে পার্থক্য পর্যবেক্ষণ করেছেন।

গবেষণার অংশ হিসেবে বলের ভেতরে স্থাপিত সেন্সর প্রযুক্তি খেলার সময় বলের গতিবিধি বা নিয়ন্ত্রণে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলে কি না, তাও পরীক্ষা করা হয়েছে।

ফিফার তথ্য অনুযায়ী, ‘ট্রাইওন্ডা’ নামটি একটি স্প্যানিশ শব্দ থেকে নেওয়া হয়েছে, যার অর্থ ‘তিনটি তরঙ্গ’। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ প্রথমবারের মতো যৌথভাবে কানাডা, মেক্সিকো এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই তিন দেশের ঐক্য ও যৌথ আয়োজনের প্রতীক হিসেবেই বলটির নামকরণ করা হয়েছে।

বলটির বিশেষ নকশা ও সেলাই কাঠামো এটিকে বাতাসে অধিক স্থিতিশীলতা প্রদান করে। পাশাপাশি ভেজা আবহাওয়াতেও খেলোয়াড় ও গোলরক্ষকদের বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সহায়তা করে এর উন্নত বাইরের আবরণ।

ট্রাইওন্ডা বলের অন্যতম আকর্ষণ হলো এর ভেতরে থাকা ৫০০ হার্টজ মোশন সেন্সর চিপ। এই প্রযুক্তি প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার বলের অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) সিস্টেমে পাঠাতে সক্ষম। ফলে অফসাইডসহ বিভিন্ন জটিল ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত আরও দ্রুত ও নির্ভুলভাবে নেওয়া সম্ভব হয়।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মহাকাশে পরিচালিত এ গবেষণার ফলাফল ভবিষ্যতে ফুটবল প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং ম্যাচ পরিচালনায় আরও নির্ভুলতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সূত্র: এনডিটিভি


Loading...
Loading...

তথ্যপ্রযুক্তি- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: