দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাত ৯টা ২৯ মিনিটে হওয়া এ ভূকম্পনের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৪ ছিল বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের মণিপুর অঞ্চলে। ঢাকা থেকে এর অবস্থান প্রায় ৩৬১ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে। কম্পনের মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। আকস্মিক এই ভূকম্পনে কিছু এলাকায় সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ঘনঘন ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এর আগে ১১ জুন রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ৪ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানিয়েছিল, ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের শিলচর এলাকায়, যা সিলেটের করিমগঞ্জ সীমান্তের কাছাকাছি।
এরও কয়েকদিন আগে, ৭ জুন রাত ১১টা ৩৭ মিনিটে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। সেই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ভুটান এবং এর কম্পন বেশ কিছু সময় ধরে অনুভূত হয়েছিল।
স্বল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে। ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অঞ্চলের টেকটোনিক প্লেটগুলোর সক্রিয়তার কারণেই মাঝেমধ্যে মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প দেখা দিচ্ছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভূমিকম্প-পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাত ৯টা ২৯ মিনিটে হওয়া এ ভূকম্পনের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৪ ছিল বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের মণিপুর অঞ্চলে। ঢাকা থেকে এর অবস্থান প্রায় ৩৬১ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে। কম্পনের মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। আকস্মিক এই ভূকম্পনে কিছু এলাকায় সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ঘনঘন ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এর আগে ১১ জুন রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ৪ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানিয়েছিল, ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের শিলচর এলাকায়, যা সিলেটের করিমগঞ্জ সীমান্তের কাছাকাছি।
এরও কয়েকদিন আগে, ৭ জুন রাত ১১টা ৩৭ মিনিটে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। সেই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ভুটান এবং এর কম্পন বেশ কিছু সময় ধরে অনুভূত হয়েছিল।
স্বল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে। ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অঞ্চলের টেকটোনিক প্লেটগুলোর সক্রিয়তার কারণেই মাঝেমধ্যে মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প দেখা দিচ্ছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভূমিকম্প-পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।