চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) ইন্টার্ন চিকিৎসকরা আবারও মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি পালন করেছেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এফসিপিএস (এফসিপিএস) ট্রেনিং-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাতিলসহ ছয় দফা দাবিতে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন। দ্রুত দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
শনিবার (৬ জুন) চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন, চমেকহা ২০২৫-২৬-এর উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে হাসপাতাল চত্বরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এতে বিপুলসংখ্যক ইন্টার্ন চিকিৎসক অংশ নেন। এর আগে গত ৪ জুনও একই দাবিতে কর্মসূচি পালন করেছিলেন তারা।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ কর্তৃক ১৯ মে ২০২৬ তারিখে গৃহীত এফসিপিএস ট্রেনিং-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত চিকিৎসকদের স্বার্থবিরোধী ও অযৌক্তিক। তারা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত বাতিল করে নতুন নির্দেশনা জারির দাবি জানান।
এ সময় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়ন এবং হামলা-নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান বক্তারা।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের উত্থাপিত ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন নবম গ্রেডের সমপর্যায়ে উন্নীত করা, বেসরকারি চিকিৎসকদের জন্য নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো প্রণয়ন, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর নির্ধারণ, বিএমডিসি ২০২৫ অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করে ভুয়া ও অবৈধ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিসিপিএস ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফি সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা নির্ধারণ।