কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নীতিমালা

অনলাইন ডেস্ক

বাণিজ্য

ব্যবসায়িক অর্থায়নের ওপর চাপ কমাতে ব্যাংকগুলোর জন্য ঋণসংক্রান্ত দুটি বড় বিধিনিষেধ শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো এখন

2026-05-14T19:42:06+00:00
2026-05-14T19:42:06+00:00
  বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬,
১ শ্রাবণ ১৪৩৩
 
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
বাণিজ্য
একক গ্রুপকে আরও বেশি ঋণ দিতে পারবে ব্যাংক
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নীতিমালা
অনলাইন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৭:৪২ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
ব্যবসায়িক অর্থায়নের ওপর চাপ কমাতে ব্যাংকগুলোর জন্য ঋণসংক্রান্ত দুটি বড় বিধিনিষেধ শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো এখন থেকে কোনো একক ঋণগ্রহীতা বা শিল্প গ্রুপকে তাদের মোট মূলধনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে। আগে এই সীমা ছিল ১৫ শতাংশ। নতুন সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, আগের ১৫ শতাংশ সীমা ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। অর্থাৎ আগামী চার বছর ব্যাংকগুলো বড় শিল্পগোষ্ঠী ও কর্পোরেট গ্রুপগুলোকে বাড়তি সীমায় ঋণ দিতে পারবে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে বড় শিল্পগোষ্ঠী ও ট্রেডিং হাউজগুলোর একক ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনো ব্যাংকের মূলধন যদি ১,০০০ কোটি টাকা হয়, তাহলে আগে তারা একটি গ্রুপকে সর্বোচ্চ ১৫০ কোটি টাকা ঋণ দিতে পারত। নতুন নিয়মে সেই সীমা বেড়ে ২৫০ কোটি টাকা হয়েছে।

এ ছাড়া আরেকটি বড় শিথিলতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক একক ঋণগ্রহীতা সীমা গণনার ক্ষেত্রে ‘নন-ফান্ডেড’ ঋণের ঝুঁকি-ভারও কমিয়েছে। এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) ও ব্যাংক গ্যারান্টির মতো সুবিধার ক্ষেত্রে এখন মোট মূল্যের মাত্র ২৫ শতাংশ হিসাব করা হবে, যেখানে আগে ৫০ শতাংশ ধরা হতো। এই সুবিধা ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

ফলে ব্যাংকগুলো এখন একই ঋণসীমার মধ্যে আগের তুলনায় অনেক বেশি ট্রেড ফাইন্যান্স সুবিধা দিতে পারবে। উদাহরণস্বরূপ, আগে ১০০ কোটি টাকার একটি এলসি খুললে একক ঋণসীমার ৫০ কোটি টাকা ব্যবহৃত হয়েছে বলে গণনা করা হতো। এখন তা ধরা হবে মাত্র ২৫ কোটি টাকা। এতে একই সীমার মধ্যে দ্বিগুণ এলসি খোলার সুযোগ তৈরি হবে।

ব্যাংকারদের মতে, এই শিথিলতা বড় ব্যবসায়ীদের তাৎক্ষণিক স্বস্তি দেবে। বিশেষ করে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে যেসব আমদানিকারকের অতিরিক্ত চলতি মূলধনের প্রয়োজন হচ্ছিল, তাদের জন্য অর্থায়ন পাওয়া সহজ হবে।

তবে কিছু ব্যাংকার সতর্ক করেছেন, একক ঋণগ্রহীতা সীমা বাড়ানোর ফলে ব্যাংক খাতে ঝুঁকি কেন্দ্রীভূত হওয়ার আশঙ্কাও বাড়তে পারে। বড় কোনো কর্পোরেট গ্রুপ ঋণখেলাপি হলে তার প্রভাব পুরো আর্থিক ব্যবস্থার ওপর আরও বেশি পড়তে পারে।

উল্লেখ্য, বড় শিল্প গ্রুপগুলোর মধ্যে ঋণের অতিরিক্ত কেন্দ্রীভবন কমাতে ২০২২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক একক ঋণগ্রহীতা সীমা সংক্রান্ত নীতিমালা কঠোর করেছিল।


Loading...
Loading...

বাণিজ্য- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: