আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় কোরবানির জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন খামারিরা। উপজেলার ৬৬৫টি খামারে প্রায় ২১ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যা স্থানীয় চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হরিশ চন্দ্র বোষ জানান, যেসব খামারে গরু ও ছাগল পালন করা হচ্ছে। এর মধ্যে গরুর সংখ্যা১০৯৮০ এবং ছাগলের সংখ্যা ১০২৩০। ইতোমধ্যে অনেক খামারি পশুগুলোকে বিক্রির উপযোগী করে তুলেছেন এবং স্থানীয় হাটগুলোতেও সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
প্রানীসম্পদ কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী শিবচর উপজেলায় প্রতিবছর ১৯ হাজার পশু কোরবানি হয়, ৬৬৫ খামারি জে পশু তৈরী করেছে তাতে চাহিদার পরেও অতিরিক্ত দুই হাজার পশু থাকবে, হরিশ চদ্র বোষ আরো জানান শিবচরে ৫০ টির অধিক খামারি আছেন তিনজন এবং তিনটির অধিক খামারী ৬৬২ জন কে উপজেলার একজন বি,সি,এস প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোস্তাফা সহ ১৭ জন প্রশিক্ষন প্রাপ্ত সেচ্ছাসেবী এই পুশু গুলোর সেবা প্রদান করে আসছে, গত বছরের তুলনায় এবার বেশী পশু লালন পালন করেছে তবে যদি ভারতের গরু না আসে তাহলে খামারীরা লাভবান হবে।
শিবচর উপজেলার সবচেয়ে বড় খামারী নাইয়িম এগ্রোফার্ম এর মালিক মশিউর রহমান খান বলেন ৫ বছর জ্বাবত কাদিরপুর এই গরুর ফার্ম করেছি প্রথম বছর ৩০ টি গরু লালন পালন করে প্রতি বছর এর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবার বড় গরু সহ ১৩০ টি গরু দুটি মহিস ও ভের রয়েছে, আমরা নিয়মিত কাচা ঘাস, ভূসি খাওয়ায়েছি, ভারতের গরু না আসলে আমরা ন্যায্য মূল্য পাবো, আর খামারিদের পশু পালনে আগ্রহ বাড়বে।
শিবচর উপজেলার ছোট খামারিরা জানান, বছরজুড়ে যত্ন নিয়ে পশু লালন-পালন করেছেন তারা। ঈদকে সামনে রেখে এখন বিক্রির আশায় রয়েছেন।
তবে পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা ব্যয়ের কারণে অনেকেই কিছুটা দুশ্চিন্তায় থাকেন, তবে সামনে অল্প কটা দিন আছে এতে কোনো সমস্যা হবে না বলে মনে করেন,যদি গরুর হাটের পরিবেশ ভালো থাকে এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা থকে তাহলে তার খুশি, কাদিরপুরের হাট মালিক সোহাগ মুন্সি বলেন পশুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতার সকল নিরপত্যা নিশ্চিত করতে জাহা প্রয়োজন তাই কররো,
সব মিলিয়ে, শিবচরে ঈদুল আজহা ঘিরে খামারিদের মধ্যে আশাবাদ দেখা গেলেও ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে। যথাযথ বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে খামারিরা লাভবান হবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এমটিআই