হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি ৮ বছরেও। নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিগত ২০১৯ সালে ৪ এপ্রিল মডেল মসজিদের উদ্ধোধন করেন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আবু জাহির। এর পর থেকে বি-বাড়ীয়া জেলার বিবিএল এন্ড এম এস এল জে ভি এর সত্বাধীকারী ফয়জুল করীম কচ্ছপ গতি কাজ শুরু করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই মসজিদে মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ১৫ কোটি টাকা। এরই মাঝে নির্মাণ কাজ অনিয়ম হলে পর পর ২ বার গণপূর্ত হবিগঞ্জ ঠিকাদার কে নির্মান কাজ বন্ধ রাখেন তার পরও সে নীতিমালা বহির্ভূত কাজ করেই যাচ্ছেন। তার কাজের লাগাম ধরে রাখা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম গত ১৫ মার্চ গণপূর্ত বিভাগ হবিগঞ্জ কে এক পত্রের মাধ্যমে নির্মাণ কাজ অগ্রগতি নিয়ে অবহিত করা হলেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কর্ণপাত করছেন না। এ ছাড়াও গত ১৫ এপ্রিল গণপূর্ত বিভাগ হবিগঞ্জ কে এক পত্রের মাধ্যমে নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ এনে আরেকটি পত্র প্রেরন করেন। ওই পত্রে উল্লেখ করা হয় মডেল মসজিদে বিধিমালা বহির্ভূত নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। মসজিদের কাজ করার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ভারী যানবাহনের মাধ্যমে মালামাল পরিবহন করায় পরিষদের একমাত্র রাস্তাটি ক্ষতিগ্রস্ত করায় ওই রাস্তাটি মেরামত করে দেয়ার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার তা করে দিচ্ছেন না। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে মসজিদে নিম্নমানের ভাঙাচোরা টাইলস ব্যবহার করছেন। এবং মসজিদের ভিতরে জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ফয়জুল করীম বলেন আমি সঠিক নিয়মেই কাজ করে যাচ্ছি তবে মালামাল পরিবহন করতে গিয়ে পরিষদের রাস্তার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা আমি যতটুকু পারি মেরামত করে দিব তবে আমি ইউএনও মহোদয়ের কোন চিঠি পাইনি। এ বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগ হবিগঞ্জ এর নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল হাসান এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি অফিসে আছি, অফিস থেকে বের হয়ে আপনাকে ফোন দিব। পরে আবারও ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না কেটে দেন।
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮