যুক্তরাষ্ট্রে মানব পাচার মামলায় মুখোমুখি বাংলাদেশি নাগরিক

কৌশলী ইমা, নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশি নাগরিক সাইফুল ইসলাম (৩৯) ব্রাজিল থেকে প্রত্যর্পণের পর আজ টেক্সাসের লারেডোতে আদালতে প্রথমবার হাজির হবেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে,

2026-04-15T15:34:23+00:00
2026-04-15T15:34:23+00:00
  বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬,
১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
 
বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
ব্রাজিল থেকে প্রত্যর্পণের পর
যুক্তরাষ্ট্রে মানব পাচার মামলায় মুখোমুখি বাংলাদেশি নাগরিক
কৌশলী ইমা, নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৪ পিএম 
বাংলাদেশি নাগরিক সাইফুল ইসলাম (৩৯) ব্রাজিল থেকে প্রত্যর্পণের পর আজ টেক্সাসের লারেডোতে আদালতে প্রথমবার হাজির হবেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, টেক্সাসের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টে দায়ের করা একটি অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, সাইফুল ইসলাম একটি বৃহৎ মানব পাচার নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা ও মেক্সিকোর বিভিন্ন স্থান থেকে অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে প্রবেশে সহায়তা করতেন। বিশেষ করে ব্রাজিলের সাও পাওলোসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে যাত্রীদের যাত্রা সহজ করতে তিনি সহযোগিতা করতেন।

তদন্তকারীরা জানান, পাচার হওয়া ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে নিয়ে আসা হতো এবং সেখান থেকে তাদের রিও গ্রান্ডে নদী পাড়ি দিয়ে বা সীমান্তের বেড়া টপকে প্রবেশ করতে নির্দেশ দেওয়া হতো।

সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অভিবাসী আনা, আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে অভিবাসী পাচার, এবং অভিবাসীদের অবৈধ প্রবেশে উৎসাহ ও সহায়তা করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন, এবং কিছু ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩ থেকে ৫ বছরের বাধ্যতামূলক সাজাও হতে পারে।

এই মামলার তদন্তে মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা-এর হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনস (এইচএসআই), মার্কিন শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা, ইন্টারপোলসহ একাধিক সংস্থা যৌথভাবে কাজ করেছে। এছাড়া ব্রাজিলের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা সম্ভব হয়েছে।

মামলাটি পরিচালনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের মানবাধিকার ও বিশেষ প্রসিকিউশন শাখা এবং টেক্সাসের ফেডারেল প্রসিকিউটররা।

এই কার্যক্রম যৌথ টাস্ক ফোর্স আলফা (জেটিএফএ) -এর আওতায় পরিচালিত, যা যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে গঠিত একটি টাস্কফোর্স। এর লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক মানব পাচার ও চোরাচালান চক্রের মূল সংগঠক ও নেতৃত্বদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা।
এ পর্যন্ত এই টাস্কফোর্সের কার্যক্রমে ৪৫০টিরও বেশি গ্রেপ্তার, ৩৯৫টির বেশি দণ্ডাদেশ এবং শত শত দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড নিশ্চিত হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।


Loading...
Loading...

আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: