কৃষি নির্ভর শীল পদ্মা আড়িয়াল খাঁ নদী বেষ্টিত মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় ১৮ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত , চার লক্ষ লোকের বসবাস এই অঞ্চলের মানুষের জীবন জিবিকা কৃষি কাজের উপর নির্ভরশীল ছিলো, ধান,পাট, বাদাম , কলই,কালাই, গম,পিয়াজ, রসুন, শরিষা,তিল,তিষি, আখ ও পান চাষের উপর ণির্ভর শীল, খরচ বেশী ফলন কম থাকায় কৃষক চাষাবাদ থেকে মূখ ফিরিয়ে নিয়েছে, লাভ জনক কোনো আবাদ না পেয়ে অনেক জমিতে ফলজ ও বনজ বাগান করছে এবং অনাবাদি রয়েছে অনেক জমি, গত বছর কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে সূর্য মূখী চাষ করে অল্প খরচে ভালো লাভ করেছে বিধায় এবছর শিবচরের বহেরা তলা, কাদিপুর অঞ্চলের কৃষকেরা ।
এবছর শিবচর উপজেলার কৃষক গন প্রায় ২৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করে নতুন সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখছেন । কম খরচে অধিক লাভের আশায় দিন দিন এই চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।
উপজেলার উঁচুজমিতে হলুদ রঙের সূর্যমুখী ফুলে ছেয়ে গেছে বিস্তীর্ণ মাঠ। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন সোনালি কার্পেট বিছানো হয়েছে। এ দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন দর্শনার্থীরাও।
কৃষকরা জালাল মোল্লা জানান, ধান ও পাটের তুলনায় সূর্যমুখী চাষে খরচ কম হলেও লাভের সম্ভাবনা বেশি। প্রতি হেক্টরে ভালো ফলন হলে তেল উৎপাদনের জন্য বীজ বিক্রি করে তারা লাভবান হতে পারেন। তবে সময়মতো সার ও সেচের ব্যবস্থা এবং সঠিক বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হলে এই চাষ আরও বিস্তৃত হবে।
শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা মো. আলীমুজ্জামান জানান, সূর্যমুখী একটি সম্ভাবনাময় তেলবীজ ফসল। দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
কৃষকদের দাবি, উৎপাদিত সূর্যমুখী বীজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানো হলে শিবচর এলাকায় এই চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে।
স্থানীয়দের মতে, সূর্যমুখী চাষ শুধু অর্থনৈতিক সম্ভাবনাই নয়, বরং এলাকার সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করেছে। ফলে এটি কৃষির পাশাপাশি পর্যটনেরও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।
সূর্য মূখী চাষকরে ভৈয্য তেলের চাহিদা মিটানো সম্ভব হবে বছরে শত শত টন মধু সংগ্রহ কর সম্ভব হবে, আগামী তে সময় মতো সূর্য মূখীর বীজ পেলে শিবচরের কৃষক সূর্য মূখীর আবাদ করবে বলে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানা যায়।