ঈশ্বরদীতে লিচুর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা

উত্তরাঞ্চলের লিচুর রাজধানীখ্যাত পাবনার ঈশ্বরদীতে এবার লিচুগাছে ব্যাপক হারে মুকুল এসেছে। সবুজ পাতার ফাঁকে থোকায় থোকায় সোনালি রঙের মুকুলে ছেয়ে

2026-03-30T17:18:08+00:00
2026-03-30T17:18:08+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬,
২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
  ই-পেপার   
           
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
ঈশ্বরদীতে লিচুর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা
প্রকাশ: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৮ পিএম 
উত্তরাঞ্চলের লিচুর রাজধানীখ্যাত পাবনার ঈশ্বরদীতে এবার লিচুগাছে ব্যাপক হারে মুকুল এসেছে। সবুজ পাতার ফাঁকে থোকায় থোকায় সোনালি রঙের মুকুলে ছেয়ে গেছে উপজেলার বিভিন্ন লিচুবাগান। এমন মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখে বাম্পার ফলনের আশা করছেন লিচুচাষি ও বাগান মালিকরা।

সরেজমিনে উপজেলার জয়নগর, মিরকামারী, মানিকনগর, সাহাপুর, জগন্নাথপুর, ভাড়ইমারী ও আওতাপাড়া এলাকায় দেখা যায়, অধিকাংশ লিচুগাছে ইতোমধ্যে মুকুল এসেছে। প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ গাছে থোকায় থোকায় মুকুল দেখা যাচ্ছে। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে মুকুলের মিষ্টি সুগন্ধ।

লিচুচাষিরা জানান, সাধারণত মাঘের শেষ সপ্তাহ থেকে ফাল্গুনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত লিচুগাছে মুকুল আসে। এ উপজেলায় সবচেয়ে বেশি চাষ হয় মোজাফ্ফর (দেশি) ও বোম্বাই বা চায়না–৩ জাতের লিচু। এছাড়া অল্প পরিসরে কদমি, কাঁঠালি, বেদানা, চায়না–১ ও চায়না–২ জাতের লিচুও চাষ করা হয়।

সাহাপুর গ্রামের লিচুচাষি আব্দুল মজিদ বলেন, তার বাগানে ১৩৫টি লিচু গাছ রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি ছাড়া প্রায় সব গাছেই মুকুল এসেছে। মুকুল ঝরে না পড়ার জন্য নিয়মিত গাছে পানি দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কীটনাশক স্প্রে করে পরিচর্যা করা হচ্ছে।

মানিকনগর গ্রামের চাষি রফিকুল ইসলাম ফারুকী বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার লিচুর ফলন খুব ভালো হবে। গত বছর ফলন কম হওয়ায় অনেক চাষির লোকসান হয়েছে। তবে এবার গাছে প্রচুর মুকুল দেখে সবাই আশাবাদী।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঈশ্বরদীতে প্রায় ৩ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ রয়েছে। ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১১ হাজার ২৭০টি লিচুবাগান আছে এখানে। গত বছর এই অঞ্চলে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার লিচু উৎপাদন ও বিক্রি হয়েছিল। এ বছর গাছে পর্যাপ্ত মুকুল আসায় আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন চাষিরা।

ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল মমিন জানান, এ বছর উপজেলার ৩১শ হেক্টর জমির লিচুগাছে ভালো মুকুল এসেছে। মুকুল ঝরে পড়া রোধে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে ভালো ফলন পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


Loading...
Loading...

- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : bhorerdakonline@gmail.com, adbhorerdak@gmail.com
ফলো করুন: