খোলা আকাশের নিচে চলছে ক্লাস, ঝাড়াখালীর ১৫৪ শিক্ষার্থীদের দুঃসহ বাস্তবতা

মিজানুর রহমান, তালতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা

প্রতিষ্ঠার তিন দশক পেরিয়ে গেলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি বরগুনার তালতলী উপজেলার ঝাড়াখালী আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। গত কয়েকদিনের

2026-03-30T16:16:25+00:00
2026-03-30T16:16:25+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬,
২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
  ই-পেপার   
           
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
খোলা আকাশের নিচে চলছে ক্লাস, ঝাড়াখালীর ১৫৪ শিক্ষার্থীদের দুঃসহ বাস্তবতা
ভবনহীন বিদ্যালয়
মিজানুর রহমান, তালতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা
প্রকাশ: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৬ পিএম 
প্রতিষ্ঠার তিন দশক পেরিয়ে গেলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি বরগুনার তালতলী উপজেলার ঝাড়াখালী আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। গত কয়েকদিনের কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যালয়ের টিনের ছাউনি উড়ে যাওয়ায় বর্তমানে খোলা আকাশের নিচেই চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। তপ্ত রোদ আর বৃষ্টির আশঙ্কায় চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে ১৫৪ জন ছাত্র-ছাত্রীর শিক্ষা জীবন।

স্থাপনা নেই, আছে শুধু শিক্ষার অদম্য ইচ্ছা ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি দীর্ঘ ৩১ বছরেও কোনো পাকা দালান বা ইটের ছোঁয়া পায়নি। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫৪ জন, যার মধ্যে নিয়মিত উপস্থিত থাকে ১২০ জনেরও বেশি। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে একমাত্র টিনের ঘরটি বিধ্বস্ত হওয়ায় এখন বসার মতো কোনো জায়গা অবশিষ্ট নেই।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. সফিউল্লাহ বলেন, "আমি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু সাম্প্রতিক কালবৈশাখী ঝড়ে আমাদের বিদ্যালয়ের টিনের ছাউনি উড়িয়ে নিয়ে গেছে। এখন পুরো প্রতিষ্ঠানটি পাঠদানের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।"

প্রধান শিক্ষক তার অসহায়ত্ব প্রকাশ করে জানান, "আমাদের বিদ্যালয়টি এখন ধ্বংসস্তূপের মতো পড়ে আছে। জরুরি ভিত্তিতে মেরামত বা নতুন ভবন নির্মাণ না করলে পাঠদান চালিয়ে যাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমরা আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বরগুনা-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।"

সরেজমিনে দেখা যায়, তপ্ত রোদে গাছের নিচে কিংবা বিধ্বস্ত ঘরের কঙ্কালসার কাঠামোর নিচে বসে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। এলাকাবাসীর দাবি, ডিজিটাল বাংলাদেশের এই সময়ে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এভাবে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকতে পারে না। দ্রুত সরকারি অনুদান ও স্থায়ী ইমারত নির্মাণের মাধ্যমে এই চরাঞ্চলের শিক্ষার আলো বাঁচিয়ে রাখার আকুতি জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল।

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমি বিষয়টি জেনে ছি যথা সম্ভব চেষ্টা করছি।



Loading...
Loading...

- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : bhorerdakonline@gmail.com, adbhorerdak@gmail.com
ফলো করুন: