মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার দুটি পাম্পে কয়েক দিন জাবত পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এতে করে পেট্রল পাম্পগুলোতে দেখা গেছে দীর্ঘ লাইন,দাড়িয়ে থাকতে হচ্ছে মটর বাইকার সহ ঢাকামূখী যাত্রী বাহী গাড়ী, ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেও মিলছেনা পেট্রল ও অকটেন।
শিবচর পাচ্চর সড়কে বড়দোয়ালি এলাকার এস কে পেট্রল পাম্পে সরে জমিনে দেখা যায় মটর সাইকেলের দর্ঘ সারি একাধিক লাইনে অপর দিকে প্রাইভেট কার ও যাত্রী বাহী বাস জ্বালানীর অপেক্ষায় দাড়িয়ে আছে যাত্রী দের দূর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে, স্হানীয় মটর সাইকেল চালক গন জানান অনেকেই মার্কিটিংএ চাকুরী করেন তাদের সেলস এর জন্য বিভিন্ন মার্কেটে জেতে বাহন মটর বাইক তেল না পেলে ব্যাবসায় অনেক ক্ষতি হবে,
এদিকে ঈদে ঢাকা থেকে বাড়ী আসা বাইকার ঢাকায় যাবে তেলের অপেক্ষায় পাম্পে বসা, প্রাইভেট গাড়িতে তেল পাচ্ছে না রেসনিং পদ্ধতি থাকলেও সেই তেল নিয়ে গন্তব্যে পৌছানো অসম্ভব,ঈদ শেষে ঢাকা মূখী যাত্রী দের চাপ পরিবহন আগের তুলনায় অনেক কম থাকলেও পাম্পে গিয়ে বসে আছে তেলের অপেক্ষায়, এতে চরম দূভোগে যাত্রী, পরিবহন চালকরা বলছেন তেল সংকটের কারনে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ট্রিপ পরিচালনা করা সম্ভব না, এতে পরিবহন সেক্টরে অনেক লোকসান হবে এভাবে তেল সংকট থাকলে মালিকরা রাস্তায় গাড়ী বের করবে না ফলে যাত্রী দের হয়রানি বাড়বে।
এসকে ফিলিং এর ম্যানেজার জানায় গাত রাতে এক গাড়ি তেল পেয়েছি তাই প্রতি গাড়িতে রেশনিং পদ্ধতি মটর বাইকে ২০০ টাকা প্রাইভেটে ১০০০ ও বাসে ৪০০০ টাকা করে তেল দিচ্ছে, যতক্ষণ থাকে ততক্ষণ দেই আমরা না পেলে কিভাবে দেবে, লাইনে দাড়িয়ে থাকা তেলের জন্য অপেক্ষাকৃত মটর বাইকার ও গাড়ীর ড্রাইভার বলেন পাম্পে অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নাই তেল আসলে নিয়ে যাবো, সংকট নিরসনে উপজেলা প্রশাসন মাঠে রয়েছে অবৈধ মজুদদার দের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে, দুএকদিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।