লালপুর-ঈশ্বরদী সড়কের নাটোরের লালপুর উপজেলার নবীনগর এলাকায় বালুবাহী ট্রাকের চাপায় আটোরিক্সার ৩ যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ৪ জন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল সাতটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন লালপুর উপজেলার ভেল্লাবাড়িয়া এলাকার মৃত জোয়াকুল ইসলাম জোহার ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৫০), বড়বাদকয়া গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে মনির (২৮) এবং ছোট বাদকয়া গ্রামের ফজলুর ছেলে বাবুল (৪২)। আহতরা হলেন ভেল্লাবাড়িয়া এলাকার ফজলুর রহমানের ছেলে রাজিবুল ইসলাম (২৬), সিদ্দিক আলীর ছেলে রাব্বি (২৫), রামকৃষ্ণপুর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে মজনু (৩৫) এবং বড়বাদকয়া গ্রামের আজিতের ছেলে মিঠুন (৩০)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকাল সাতটার দিকে নবীনগর এলাকায় একটি বালুবাহী ট্রাক (বগুড়া-ড ১১-০৯-৩৪) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্যাটারি চালিত একটি অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে একটি বাড়ির পাকা দেওয়াল ভেঙে ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই জাহিদুল ইসলামের মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে পথিমধ্যে চারঘাট এলাকায় মনিরের মৃত্যু হয় এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌছার পর বাবুলের মৃত্যু হয়।
লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক কাউসার জানান, আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে পথিমধ্যে মনির ও মেডিকেলে পৌছার পর বাবুলের মৃত্যু হয়েছে এবং রাজিবুল ইসলাম বর্তমানে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত রাজিবুল ইসলাম জানান, তারা পেঁয়াজ তোলার কাজে একটি অটোরিকশা ভাড়া করে ফরিদপুর এলাকায় যাচ্ছিলেন।
লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মজিবর রহমান জানান, ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।