ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুর নিজ সংসদীয় নির্বাচনি এলাকায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই। নির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয়ভাবে উপকারভোগী নির্বাচন করা হচ্ছে এবং কার্ডের অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী প্রধানদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার জগন্নাথপুর অডিটোরিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। সমাজের প্রান্তিক, দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে। আগামী বাজেট থেকে ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি আরও সম্প্রসারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এটি কোনোভাবেই দলীয়ভাবে বণ্টন করা হবে না। একটি রাজনৈতিক দল একজন উপদেষ্টার বক্তব্য বিকৃত করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে, যা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের শামিল।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খালেদ হোসেন মাহবুব, সাবেক সংসদ সদস্য এম. এ. খালেক, পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
পাইলট কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রথম পর্যায়ে বাঞ্ছারামপুর পৌর এলাকার ৮৬টি পরিবারের নারী প্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হয়। এ কার্ডের মাধ্যমে প্রতি পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে আরও দরিদ্র, হতদরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের নারী প্রধানদের এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।