হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে জুলাই যোদ্ধা ও সাংবাদিক শেখ সফিকুল ইসলামের কাছে পানি মিশ্রিত বসুন্ধরার মোড়কজাতকৃত এলপি গ্যাস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে হক ট্রেডার্স নামক একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর ওই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সাংবাদিক শেখ সফিকুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাংবাদিক ও জুলাই যোদ্ধা শেখ সফিকুল ইসলাম স্থানীয় বড় বাজারের শহীদ মিনার সংলগ্ন হক ট্রেডার্স থেকে ১২ কেজি ওজনের একটি বসুন্ধরা গ্যাস সিলিন্ডার ক্রয় করেন।
সিলিন্ডারটি চুলায় সংযোগ দেয়ার পর, কয়েকদিনের মধ্যেই চুলা বন্ধ হয়ে যায়। পরে তিনি সিলিন্ডারটি পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারেন সিলিন্ডারে তিন ভাগের একভাগ পানি মিশ্রিত। বিষয়টি তাৎক্ষণিক হক ট্রেডার্সের মালিকপক্ষকে অবগত করা হয়। কিন্তু এতে কোনপ্রকার সদুত্তর না দিয়ে বসুন্ধরার ডিলারকে দায়ী করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে সাংবাদিককে শান্তনা দেন তারা।পরে ওই সাংবাদিক বসুন্ধরার ডিলার(বানিয়াচং) হারুনুর রশিদের সাথে যোগাযোগ করলে বেড়িয়ে আসে গ্যাস বিক্রির বিভিন্ন অনিয়ম ও চাঞ্চল্যকর তথ্য। ডিলার হারুনুর রশিদ বলেন, হক ট্রেডার্সে আমি কোন প্রকার গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করিনা।
হক ট্রেডার্স কোথা থেকে গ্যাস সিলিন্ডার এনে বিক্রি করছেন সেটা উনারাই ভালো জানেন। তাছাড়া গ্যাস সিলিন্ডার সম্পর্কে হক ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে লোকমূখে একাধিক অভিযোগ শুনেছেন বলেও জানান তিনি। হক ট্রেডার্স কিভাবে অবৈধভাবে বসুন্ধরার গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করে, তা নিয়েও তিনি উদ্ধেগ প্রকাশ করেছেন। হক ট্রেডার্সের বিক্রিত গ্যাস সিলিন্ডার নকল কিনা,এমন প্রশ্নে ডিলার হারুনুর রশিদ বলেন বসুন্ধরার আসল মোড়কের সাথে হক ট্রেডার্সের বিক্রিত সিলিন্ডারের মোড়কের আকাশ পাতাল পার্থক্য রয়েছে।
সাংবাদিক শেখ সফিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে মাননীয় বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি এবং ভোক্তা অধিকারের হট লাইনেও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করেছি। আমি বানিয়াচংবাসীর স্বার্থে ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানাচ্ছি। এব্যাপারে জানতে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সরকারি মুঠোফোনে একাধিক কল দিলেও কল রিসিভ হয়নি। এজন্য বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।