পাথরাজ খাল পুনঃখননে উদ্যোগ, উপকৃত হবে তিন লাখ মানুষ

বোদা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, সরকার আগামী পাঁচ বছরে দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় পুনঃখননের

2026-02-28T14:11:00+00:00
2026-02-28T14:11:00+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬,
২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
  ই-পেপার   
           
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
পাথরাজ খাল পুনঃখননে উদ্যোগ, উপকৃত হবে তিন লাখ মানুষ
বোদা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:১১ পিএম 
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, সরকার আগামী পাঁচ বছরে দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় পুনঃখননের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে পঞ্চগড়ের পাথরাজ খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার সকালে পঞ্চগড়ের বোদা পৌরসভার দুলালতলী বাঁধ এলাকায় পাথরাজ খাল পুনঃখননের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৮০ সালে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ এলাকায় খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই খাল অনেকাংশে ভরাট হয়ে গেছে। এখন খালের অস্তিত্ব প্রায় বিলীন।

তিনি জানান, পাথরাজ নদীটি প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি পুনঃখনন করে পানি ধারণ সক্ষমতা বাড়ানো গেলে, প্রায় ৫০ হাজার বিঘা জমি চাষের আওতায় আসবে এবং প্রায় তিন লাখ মানুষ উপকৃত হবে।

সরকারের নির্বাচনি ইশতাহারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পরিকল্পনার আলোকে দেশের নদী-খাল পুনরুদ্ধার করা হবে। ইতোমধ্যে ১৫ দিন, ১৮০ দিন এবং চার বছরের কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নদীর দুই তীরে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় কয়েক হাজার গাছ রোপণ করা হবে।

তিনি জানান, কৃষি ঋণের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ মওকুফের প্রস্তাব সাম্প্রতিক মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার কার্যক্রম রোজার আগেই ১৫টি উপজেলায় শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে তা সম্প্রসারণ করা হবে।

দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। বিশেষ করে নদী ও খাল খননের কাজ বর্ষা মৌসুমে নয়, ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয়ভাবে নদীতে ব্লক ফেলা বা অপচয় বরদাস্ত করা হবে না বলেও তিনি জানান।
তিনি বলেন, কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস করি। পর্যায়ক্রমে আমাদের পরিকল্পনার দৃশ্যমান বাস্তবায়ন আপনারা দেখতে পাবেন।



Loading...
Loading...

- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : bhorerdakonline@gmail.com, adbhorerdak@gmail.com
ফলো করুন: