ছাইয়ের স্তূপ থেকে উদ্ধার করা নবজাতককে বাঁচানো যায়নি। সোমবার রাত সোয়া ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। এর আগে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পেছনে ছাইয়ের স্তূপ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। সোমবার সকালে শিশুটির লাশ দাফন করা হয়।
পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব জানান, চমেক হাসপাতাল থেকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশুটির লাশ রাত ৩টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ওসি’র উপস্থিতিতে সোমবার সকাল ৭টার দিকে শিশুটির লাশ দাফন করা হয়। গাউছিয়া কমিটির সদস্যরা উপজেলার বরলিয়া ইউনিয়নের পূর্ব পেরালা গ্রামে শিশুটিকে দাফন করেন।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বেলা তিনটার দিকে লুঙ্গি পরা এক যুবক ও দুই নারী প্যাকেটে মোড়ানো অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালের পাশে ছাইয়ের স্তূপের ওপর রেখে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। পরে শিশুটির কান্নার শব্দ শুনে হাসপাতালের কর্মীরা এগিয়ে এসে নবজাতককে উদ্ধার করেছিলেন।
দীর্ঘ সময় খোলা জায়গায় পড়ে থাকার কারণে শিশুটির শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে গিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে শিশুটিকে উষ্ণতা দেওয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা করা হয়। চমেক হাসপাতালে আইসিইউতে নিয়েও শিশুটিকে বাঁচানোর চেষ্টা চলে। নির্ধারিত সময়ের আগেই জন্ম হওয়া, কম ওজন থাকার কারণে শিশুটি বাঁচানো যায়নি।