বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার মুরাদপুর-পোতা মৌজার আবাদি মাঠে পল্লি উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ) প্রকল্পের গভীর নলকূপ স্থাপনে অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে। প্রকল্প ঘিরে কৃষকদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সমবায় সমিতি ও কৃষক পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ ও স্থাপনার মালামাল অপসারণে সহযোগিতা চেয়েছেন স্থানীয়রা।
গত রোববার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন নন্দীগ্রাম মুরাদপুর এলাকার ব্যক্তি মালিকানাধীন গভীর নলকূপ পরিচালক তাপস চন্দ্র সরকার। তার অভিযোগ, স্কিম অনুযায়ী আবাদি জমির পরিমাণ কম হওয়ার পরও স্থাপনার কার্যক্রম বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাচ্ছে আরডিএ। উপজেলা প্রশাসন, বিএডিসি সেচ প্রকল্পসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার অভিযোগ করেও প্রতিকার মিলছে না। পরে তিনি বগুড়া জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তাপস চন্দ্র সরকার বলেন, আমার দাদু মৃত সূর্যকান্ত সরকারের নামে মুরাদপুর-পোতা মৌজার নির্ধারিত স্কিমের মধ্যে ২০০১ সালে স্থাপন করা নিবন্ধিত একটি গভীর নলকূপ সচল রয়েছে। একই স্কিমে আরও দুটি গভীর নলকূপ রয়েছে। বর্তমানে পুকুর, বাগান ও বসতবাড়ি হওয়ায় আবাদি জমি কমে ৮০-৯০ বিঘায় দাঁড়িয়েছে। এরমাঝে আবার নতুন করে নিয়মবহির্ভূত ভাবে আরেকটি গভীর নলকূপ স্থাপন চেষ্টা চালাচ্ছে আরডিএ বগুড়া। এ অবস্থায় বড়ো ধরনের ক্ষতির শঙ্কায় আছি। স্কিমের মধ্যে নিয়মবহির্ভূত অবৈধভাবে গভীর নলকূপ স্থাপন কার্যক্রম বন্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ কামনা করছি।
এ প্রসঙ্গে বগুড়া পল্লি উন্নয়ন একাডেমি উপ-পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক রেবেকা সুলতানা বলেন, ২০২৩ সালে প্রকল্পটি অনুমোদন হয়। সমবায় সমিতি, জমি ব্যবস্থাসহ নানা কারণে কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এখানে কোনো অনিয়মের সুযোগ নেই।