নীলফামারী-৪ আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিকের গাড়িবহরে অতর্কিত হামলার অভিযোগে বিএনপি প্রার্থী গফুর সরকারসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০/৫০ জনকে আসামি করে কিশোরগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের ইকু হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য মোঃ মাসুদ রানা জানান। তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জ উপজেলার রণচণ্ডী ইউনিয়নের মাস্টারপাড়া এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা শেষে অবস্থানকালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, বিএনপি প্রার্থী গফুর সরকারের নির্দেশে একদল দাঙ্গাবাজ দেশীয় অস্ত্র, বাঁশের লাঠি ও লোহার রড নিয়ে হামলা চালায়।
হামলায় আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিকের ব্যবহৃত গাড়ি (ঢাকা মেট্রো ঘ-১৫-০৭৮৮, নিশান এক্সট্রেইল) ভাঙচুর করা হয়। এতে আনুমানিক তিন লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। পাশাপাশি তার সফরসঙ্গীদের উপর এলোপাতাড়ি মারধর করা হলে অন্তত ৭/৮ জন গুরুতর আহত হন বলে লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিএনপি প্রার্থী গফুর সরকার ৩০/৪০টি মোটরসাইকেল ও তিনটি গাড়ির বহর নিয়ে হামলায় অংশ নেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে মোঃ সফিকুল ইসলাম, মোঃ বিপ্লব, মোঃ সোহেলসহ স্থানীয় আরও অনেকে ঘটনার সত্যতা প্রত্যক্ষ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক বলেন, “এই হামলা একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক সহিংসতা। এটি শুধু একজন প্রার্থীর ওপর নয়, এটি গণতান্ত্রিক নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর সরাসরি আঘাত। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”
তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচনী মাঠে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।