লাখাইয়ে ৪২ বছরের পুরোনো জরাজীর্ণ পরিত্যক্ত ফিশ শেড যেন দেখার কেউ নেই

লাখাই (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা

হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার বামৈ উত্তর গ্রামে অবস্থিত ৪২ বছরের পুরোনো জরাজীর্ণ ফিশ শেড কালের স্বাক্ষী হিসেবে জরাজীর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায়

2026-01-12T13:31:47+00:00
2026-01-12T13:31:47+00:00
  বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬,
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
 
  ই-পেপার   
           
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
লাখাইয়ে ৪২ বছরের পুরোনো জরাজীর্ণ পরিত্যক্ত ফিশ শেড যেন দেখার কেউ নেই
লাখাই (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা
সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:৩১ পিএম 

 হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার বামৈ উত্তর গ্রামে অবস্থিত ৪২ বছরের পুরোনো জরাজীর্ণ ফিশ শেড কালের স্বাক্ষী হিসেবে জরাজীর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। যেন দেখার কেউ নেই। খোঁজ নিয়ে জানা যায় বিগত পাকিস্তান আমলে ওই বাজারটি জমজমাট বাজার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল। তখনকার সময়ে ওই বাজারে হাজার হাজার ক্রেতা বিক্রেতারা গৃহস্থালি বাজার সদায় করতেন কিন্তু তৎকালীন সময়ে দোকানীরা নিজ নিজ খরচে দোকান গৃহ নির্মাণ করে ব্যবসা করতেন বলে এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ফিশ শেডটি জরাজীর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে এবং শেডের অধিকাংশ টিন কে বা কারা নিয়ে যায়। বামৈ পূর্ব গ্রামের আব্দুল কাদির জানান, আমরা ছোট বেলা থেকে দেখে আসছি ওই বাজারটি সপ্তাহে ২ দিন হাট বসত এবং হাজার ক্রেতা বিক্রেতার ভীড় লেগেই থাকতো। কিন্তু তৎকালীন সময়ে বামৈ পূর্ব গ্রাম ও বামৈ পশ্চিম গ্রামে একটা মারামারির ঘটনায়  একজন নিহতের পর থেকে বাজারের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় । তিনি আরও বলেন ১৯৮৪ সালে টিএনও বিবেকানন্দ পাল ওই বাজারে কাটিহারা গ্রামের ভিংরাজ মিয়ার মাধ্যমে একটি ফিশ শেড নির্মাণ করা হয়ছিল যা বর্তমানে পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। বামৈ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী আজাদ হোসেন ফুরুক বলেন বাজারের পরিত্যক্ত ঘরটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ খেয়াল না রাখার কারনে মূল্যবান ঘরটি এখন মূল্যহীন হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে বামৈ গরু বাজারের ইজারাদার রেফাজুল হক জুয়েল বলেন আমি দীর্ঘদিন ধরে ওই বাজারের ইজারাদার হিসেবে আছি কিন্তু প্রত্যেক রোববার গরুর হাট বসে বৃষ্টি ও ঝড় তুফানের সময়  গরু ক্রয় বিক্রয়কারীরা আশ্রয় নেয়ার মতো কোন ব্যবস্থ নাই। এ ব্যপারে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বামৈ ভুমি অফিসের তহশিলদার কৃপেন্দ্র চন্দ্র গোপ বলেন প্রতি রোববার গরুর হাট বসে ঝড় তুফান ও বৃষ্টি হলেই গরুর বাজারের লোকজন আমার অফিসের ভিতরে ঢুক পড়ে এতে করে আমি আমার নিরাপত্তাহীনতায় আছি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম বলেন খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। 


Loading...
Loading...

- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: