বরগুনার আমতলীতে চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে জহিরুল সিকদার নামের যুবক নিহত হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে শনিবার দুপুরে। ঘাতকে গ্রেফতার করেছে আমতলী থানা পুলিশ।
জানাগেছে, উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের ফরিদ সিকদারের সঙ্গে মুনসুর সিকদারের দশ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। শনিবার বেলা ১১টার দিকে ফরিদ সিকদার ওই জমি চাষাবাদ করতে যায়। খবর পেয়ে মুনসুর সিকদার একটি ছুরি নিয়ে তাকে ধাওয়া করে। তিনি দৌড়ে আসার সময় মুনসুর তাকে লক্ষ করে ছুরি নিক্ষেপ করে। ওই ছুরি গিয়ে তার পায়ে পরে। তার ডাক চিৎকারে চাচাতো ভাই জহিরুল সিকদার ছুটে আসে। এ সময় ঘাতক মুনসুর সিকদারকে নিবৃত করতে চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে ঘাতক মুনসুর তাকে পেটে ছুরকাঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। ওই হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জান তাকে মৃত্যু ঘোষনা করেছেন। খবর পেয়ে আমতলী থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন ও পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক মুনসুর সিকদারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সজিব সিকদার বলেন, মুনসুর সিকদারের ছেলে জাকির সিকদার জমিজমা নিয়ে বংশের সকলের সাথেই ঝামেলা তৈরি করে আসছে। তার নির্দেশেই ১০ শতাংশ জমির বিরোধে আমার বাবা ফরিদ সিকদারকে ছুরিকাঘাত করতে যায়। আমার বাবাকে রক্ষায় চাচা জহিরুল সিকদার এগিয়ে আসলে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান বলেন, নিহত জহিরুল সিকদারকে হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছে। তার পেটে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
সহকারী পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম মাসুম বলেন, ঘাতক মুনসুর সিকদারকে আটক এবং ছুরিও জব্দ করা হয়েছে।