
নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। পর্যটকদের আগমনকে কেন্দ্র করে দ্বীপের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁগুলোও সাজানো হয়েছে নতুনভাবে। দীর্ঘ বিরতির পর পর্যটন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় দ্বীপের ব্যবসায়ীদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে প্রত্যাশা।
তবে পর্যটন মৌসুমের সূচনা হলেও নৌপথে যাতায়াত নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশাসনিক জটিলতা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পেয়েছে তিনটি জাহাজ। কিন্তু জাহাজ চলাচল শুরুর জন্য এখনো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুমোদন ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।
এর মধ্যে রয়েছে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ভয়েজ লাইসেন্স, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) রুট পারমিট এবং জাহাজ চলাচলের চূড়ান্ত সময়সূচি। ফলে পরিবেশগত ছাড়পত্র পাওয়া সত্ত্বেও জাহাজগুলো এখনই যাত্রী পরিবহনে নামতে পারছে না।
অন্যদিকে, পর্যটকদের টিকিট বিক্রির জন্য বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের নির্ধারিত সফটওয়্যারও এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও টিকিট ব্যবস্থাপনা প্রস্তুত না থাকায় কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরুর সময় নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।
সংশ্লিষ্টদের আশা, বাকি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি দ্রুত শেষ করা গেলে আগামী ৫ থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হবে।