বাকেরগঞ্জের পাদ্রীশিবপুরে বিয়ের ১৭ দিনের মাথায় গৃহবধু ধর্ষণের মামলার আসামি অবশেষে পুলিশের খাঁচায়।
বাকেরগঞ্জ থানা ও স্হানীয় সুত্রে জানা যায়, ১৯ অক্টোবর উপজেলার পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়নের আড়াইবাকী গ্রামে এক নব বধুকে বিয়ের ১৭ দিনের মাথায় দুুলাভাই ও চাচা শ্বশুর নতুন পোশাক কিনে দেওয়ার কথা বলে বাজারে নিয়ে যায়। পরে বাড়ি ফেরার পথে নির্জন স্হানে নিয়ে দুলাভাই ইমরান প্যাদা ও চাচা শ্বশুর রাকিব প্যাদার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠে।
এ ঘটনায় গত ২৩ অক্টোবর জেলা লিগ্যাল এইডের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্ত ভোগী গৃহবধূ। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ ধর্ষকের বিরুদ্ধে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। এ বিষয়ে স্হানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় একাধিক সংবাদ প্রকাশ হয় এবং ঘটনাটি স্হানীয় ভাবে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। পরে ৩০ অক্টোবর পুলিশ একটি ধর্ষণের মামলা গ্রহন করে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন জানান, মামলা দায়েরের পরপরই অভিযুক্ত ধর্ষক দ্বয় পালিয়ে যায়। পরে আসামিদের ধরতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ সাড়াশি অভিযান চালায়। পরে ৩১ অক্টোবর শনিবার ঢাকার কাঁচপুর এলাকা থেকে ধর্ষক ইমরান প্যাদা ও রাকিব প্যাদাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন ১ নভেম্বর বাকেরগঞ্জ থানায় আসামিদের হাজির করে প্রয়োজনীয় পক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।