
রায়ের বিবরণ অনুযায়ী, হানিফের বিরুদ্ধে আনা প্রথম চার্জের ১ থেকে ৬ নম্বর কাউন্টে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট, ১৯৭৩-এর ৩(২)(এ), ৩(২)(জি), ৩(২)(এইচ), ৪(১), ৪(২), ৪(৩) ও ২০(২) ধারায় এ দণ্ড দেওয়া হয়।
এ ছাড়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় চার্জে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় হানিফকে একই আইনের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
একই মামলায় মো. সদর উদ্দিন খান, মো. আজগর আলী ও মো. আতাউর রহমান আতাকে প্রথম চার্জের ১ থেকে ৬ নম্বর কাউন্টে দোষী সাব্যস্ত করে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দ্বিতীয় ও তৃতীয় চার্জে তাঁদেরও যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রায়ে আরও বলা হয়েছে, চার আসামির বিরুদ্ধে আনা চতুর্থ ও পঞ্চম চার্জ একত্রে বিবেচনা করে তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এসব অভিযোগে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের নির্দেশনায় সাজাপ্রাপ্ত চার আসামির স্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার কথাও উল্লেখ রয়েছে। বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি বিক্রি করে পাওয়া অর্থ জুলাই ফাউন্ডেশন অথবা অন্য কোনো বিধিবদ্ধ সংস্থার মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।