পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালউদ্দিন চৌধুরীসহ আটজনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পৃথক দুই ধারায় ইকবালউদ্দিন চৌধুরীকে মোট ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় দণ্ডিত হয়েছেন আরও সাতজন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার নবম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আব্দুস সালাম এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলাটি পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে করা হয়েছিল। তবে রায়ে অন্য সাত আসামির সাজা, জরিমানা এবং আদালতের বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
মামলার পটভূমি অনুযায়ী, ইকবালউদ্দিন চৌধুরী রাজউকের চেয়ারম্যান থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত এম এ হাসেমের দুই ছেলে শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজকে পূর্বাচল প্রকল্পে ১০ কাঠা করে মোট ২০ কাঠা জমির দুটি প্লট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার এজাহারে বলা হয়, ওই দুই ভাই শিল্পপতি কোটায় প্লটের জন্য আবেদন করেও বরাদ্দ পাননি। পরে তাঁরা আবেদন প্রত্যাহার করে জামানতের টাকা তুলে নেন। এরপরও রাজউকের বিশেষ বোর্ড সভায় তাঁদের নামে প্লট বরাদ্দ অনুমোদন করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় রাজউকের তৎকালীন চেয়ারম্যান ও বোর্ডের সদস্যদের পাশাপাশি ওই দুই ব্যবসায়ীকে আসামি করা হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে ইকবালউদ্দিন চৌধুরী, রাজউকের সাবেক পাঁচ সদস্য এবং শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজ রয়েছেন।
রায়ের বিস্তারিত জানার অপেক্ষা
মঙ্গলবার ঘোষিত রায়ে ইকবালউদ্দিন চৌধুরীকে পৃথক দুই ধারায় মোট ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে অন্য সাতজনের প্রত্যেকের সাজা কত বছর, তাঁদের কাউকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে কি না এবং সাজা একসঙ্গে নাকি ধারাবাহিকভাবে কার্যকর হবে—এসব বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রায়ের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে তা জানা যাবে।