
এ উপলক্ষে বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় রাজধানীতে বিএসএফআইসির সদর দপ্তরের বোর্ডরুমে সংস্থাটির জিয়া পরিষদের উদ্যোগে একটি সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএসএফআইসির চেয়ারম্যান (গ্রেড-২) মো. শামছুজ্জামান (সুরুজ)।
সভায় বিএসএফআইসির পরিচালক (ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা) ও যুগ্মসচিব ড. আব্দুল আলীম খান, পরিচালক (উৎপাদন ও প্রকৌশল) ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাঈদ-উর-রহমান, পরিচালক (অর্থ) ও যুগ্মসচিব তাহমিনা আক্তার, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সাইফুর রহমান খান, সংস্থার সচিব মোহাম্মদ মজিবুর রহমান, সিওপি শাহরীনাতানাজসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জিয়া পরিষদের সভাপতি কৃষিবিদ মো. আবু রায়হান, সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম রব্বানী ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আশরাফ সরকার জুয়েল অনুষ্ঠানে অংশ নেন। জিয়া পরিষদের সভাপতি অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন।
সভায় বিএসএফআইসির চেয়ারম্যান বলেন, ৩৮ হাজার ১৯০ জন আখচাষীর কাছে সময়মতো প্রণোদনার অর্থ পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে চাষীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিনি শিল্পকে লাভজনক ও আধুনিক খাত হিসেবে গড়ে তুলতে করপোরেশনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, চিনি কলগুলোর মাড়াই সক্ষমতা বৃদ্ধি, আখের আবাদ সম্প্রসারণ, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আখচাষীদের সরাসরি সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিএসএফআইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আখের ন্যায্যমূল্য ও প্রণোদনার অর্থ সময়মতো পাওয়া গেলে চাষীরা আখ চাষে আরও উৎসাহিত হবেন। এতে দেশের আখ উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি চিনি শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছে সংস্থাটি।
চিনি শিল্পকে স্বাবলম্বী করা এবং আখচাষীদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিএসএফআইসি কাজ করছে বলেও সভায় তুলে ধরা হয়।