
যাত্রাবিরতি শুরু হওয়া ট্রেন দুটি হলো ৭৩৪ নম্বর তিতুমীর এক্সপ্রেস ও ৭৬১ নম্বর সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান পরিচালন সুপারিনটেনডেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ অক্টোবরের একটি চিঠিতেও ট্রেন দুটির যাত্রাবিরতির বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দুটি বিষয়ে সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি—বিনা টিকিটে যাতায়াত করবেন না এবং রেলের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে খারাপ আচরণ করবেন না। রাবির সম্মান ও এই সুবিধা ধরে রাখতে আমাদের দায়িত্বশীল হতে হবে।’
বাকি ট্রেনগুলোর যাত্রাবিরতির বিষয়ে রেল মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, পারস্পরিক সম্প্রীতির ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এর আগে রাকসুর পক্ষ থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশনে সব দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। দীর্ঘদিন স্টেশনটি কার্যত অকার্যকর থাকায় শিক্ষার্থীদের ট্রেনে যাতায়াতে নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে রাতে নিরাপদ ও সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য স্টেশনটিতে ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবি জানিয়ে আসছিলেন তাঁরা।
দীর্ঘ তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে স্টেশনটি কার্যত অকার্যকর অবস্থায় পড়ে ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের পর তিতুমীর ও সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হলো।