কানাডীয় লেখক ও কবি অ্যান কার্সন ২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ধ্রুপদি ঐতিহ্যের সঙ্গে কৌতুকপূর্ণ সংলাপের মধ্য দিয়ে সমকালীন সাহিত্যে নতুন রূপ সৃষ্টির সাহসী ও উদ্ভাবনী কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) নোবেল কমিটির আয়োজিত অনুষ্ঠানে চলতি বছরের সাহিত্যে নোবেলজয়ী হিসেবে অ্যান কার্সনের নাম ঘোষণা করা হয়।
নোবেল কমিটির ভাষ্য, কার্সনের সাহিত্যকর্মে ধ্রুপদি সাহিত্য ও সমকালীনতার পাশাপাশি কবিতা, প্রাচীন সাহিত্য, আধুনিক সাহিত্য এবং বিভিন্ন শিল্পমাধ্যমের মধ্যে নতুন ধরনের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
পুরো কর্মজীবনে কবিতা লেখার পাশাপাশি অনুবাদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কার্সন। তার সাহিত্যকর্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ভাষার প্রতি গভীর অনুসন্ধিৎসা এবং নতুন অর্থ ও অভিজ্ঞতা আবিষ্কারের কবিসুলভ আকাঙ্ক্ষার মেলবন্ধন। নিজের কাজের ক্ষেত্রে শব্দের ব্যুৎপত্তিকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ সূচনাবিন্দু হিসেবে বিবেচনা করেছেন।
নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান অ্যান্ডার্স ওলসন কার্সনের সাহিত্যকর্মের প্রশংসা করে বলেন, তার লেখায় কবিতা, প্রাচীন ও আধুনিক সাহিত্য এবং বিভিন্ন শিল্পমাধ্যমের মধ্যে অভিনব সংযোগ তৈরি হয়েছে।
২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কারের এটি তৃতীয় ঘোষণা। এর আগে সোমবার চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং বুধবার রসায়নে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। শুক্রবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হবে।
আগামী ১০ ডিসেম্বর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের হাতে নোবেল পদক তুলে দেওয়া হবে। সুইডেনের রাজা ষোড়শ কার্ল গুস্তাফ বিজয়ীদের হাতে পদক ও সনদ তুলে দেবেন। পরে স্টকহোম সিটি হলে অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী নোবেল ভোজ।
সূত্র: নোবেল প্রাইজ কমিটি